বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, উত্তরবঙ্গের কৃষির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গাইবান্ধায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। আজ শনিবার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত ৫৪ বছরের অবহেলায় উত্তরবঙ্গের তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের মতো নদীগুলো আজ মৃতপ্রায়। ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীগুলোকে পুনর্জীবিত করে উত্তরবঙ্গকে দেশের 'কৃষি রাজধানী' হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এছাড়া স্থানীয় পণ্য বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিতে গাইবান্ধায় ইপিজেড নির্মাণ এবং বালাশী ও বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে সংযোগ সেতু নির্মাণের আশ্বাস দেন তিনি।
চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ ও কর্মসংস্থান চাঁদাবাজদের হুশিয়ারি দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, "চাঁদাবাজদের কারণে কৃষক পণ্যের নায্যমূল্য পায় না। তবে আমরা তাদের ঘৃণা না করে হাতে সম্মানের কাজ তুলে দিয়ে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে চাই।" প্রতিটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তরের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে যাতে মানুষকে কাজের সন্ধানে ঢাকামুখী হতে না হয়। তিনি আরও বলেন, দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে পারলে এবং নতুন করে চুরি বন্ধ করলে দেশের উন্নয়ন অভাবনীয় গতিতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবা ও পররাষ্ট্রনীতি দেশের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, যে ৩১টি জেলায় এখনো মেডিকেল কলেজ নেই, সেখানে দ্রুততম সময়ে কলেজ স্থাপন করা হবে। এছাড়া জেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "বাংলাদেশ সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়, তবে কোনো দেশের ‘খবরদারি’ বা আধিপত্য মেনে নেবে না।"
নির্বাচনী প্রচারণা জনসভা শেষে ডা. শফিকুর রহমান গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের দলীয় প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। জনসভায় স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, উত্তরবঙ্গের কৃষির অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে গাইবান্ধায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। আজ শনিবার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন।
কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিগত ৫৪ বছরের অবহেলায় উত্তরবঙ্গের তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের মতো নদীগুলো আজ মৃতপ্রায়। ক্ষমতায় গেলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীগুলোকে পুনর্জীবিত করে উত্তরবঙ্গকে দেশের 'কৃষি রাজধানী' হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এছাড়া স্থানীয় পণ্য বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিতে গাইবান্ধায় ইপিজেড নির্মাণ এবং বালাশী ও বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে সংযোগ সেতু নির্মাণের আশ্বাস দেন তিনি।
চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ ও কর্মসংস্থান চাঁদাবাজদের হুশিয়ারি দিয়ে জামায়াত আমির বলেন, "চাঁদাবাজদের কারণে কৃষক পণ্যের নায্যমূল্য পায় না। তবে আমরা তাদের ঘৃণা না করে হাতে সম্মানের কাজ তুলে দিয়ে সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে চাই।" প্রতিটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তরের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে যাতে মানুষকে কাজের সন্ধানে ঢাকামুখী হতে না হয়। তিনি আরও বলেন, দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে পারলে এবং নতুন করে চুরি বন্ধ করলে দেশের উন্নয়ন অভাবনীয় গতিতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবা ও পররাষ্ট্রনীতি দেশের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, যে ৩১টি জেলায় এখনো মেডিকেল কলেজ নেই, সেখানে দ্রুততম সময়ে কলেজ স্থাপন করা হবে। এছাড়া জেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "বাংলাদেশ সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়, তবে কোনো দেশের ‘খবরদারি’ বা আধিপত্য মেনে নেবে না।"
নির্বাচনী প্রচারণা জনসভা শেষে ডা. শফিকুর রহমান গাইবান্ধা জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের দলীয় প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। জনসভায় স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন