বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিলেত থেকে ফিরে তিনি এখন ‘বড় মুফতি’র মতো কে মুসলমান আর কে কাফের—সেই ফতোয়া দিচ্ছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের আরাফাত মহল্লায় আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সমাবেশে জামায়াত নেতা তারেক রহমানের রাজনৈতিক পরিপক্বতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ধর্মীয় বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের কঠোর নিন্দা জানান।
তারেক রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা মিয়া গোলাম পরওয়ার তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমরা ধারণা করেছিলাম লন্ডনে পড়াশোনা করে তাঁর (তারেক রহমান) রাজনৈতিক পরিপক্বতা বেড়েছে। কিন্তু এখন দেখছি তিনি বড় মুফতি সেজেছেন। কে মুসলমান আর কে কাফের, সেই ফতোয়া দিচ্ছেন তিনি।” জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল আরও যোগ করেন, কোনো ব্যক্তি যদি আল্লাহ, রাসুল ও আখেরাতে বিশ্বাস করেন, তবে অন্য কোনো বিশ্বাসী ব্যক্তিকে কাফের বলা ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী জায়েজ নেই। তারেক রহমান এমন মন্তব্য করে বড় অপরাধ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ আসন্ন নির্বাচনকে ‘দ্বীন কায়েমের নিয়মতান্ত্রিক জিহাদ’ হিসেবে উল্লেখ করে গোলাম পরওয়ার বলেন, আধুনিক যুগে অস্ত্রের লড়াইয়ের বদলে ব্যালটের মাধ্যমেই রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইন পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমান সময়ে এটিই সংগ্রামের সঠিক পথ।
১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অনেক দল পাকিস্তানের অখণ্ডতার পক্ষে ছিল, যা একটি রাজনৈতিক মতপার্থক্য মাত্র, কোনো অপরাধ নয়। তিনি স্পষ্ট করেন যে, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে পূর্ণাঙ্গভাবে স্বীকার করে এবং দলের গঠনতন্ত্রেও মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
ঐক্যের ডাক সমাবেশের সমাপ্তিতে তিনি উপস্থিত নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং দেশের আদর্শিক ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম ও অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লাসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিলেত থেকে ফিরে তিনি এখন ‘বড় মুফতি’র মতো কে মুসলমান আর কে কাফের—সেই ফতোয়া দিচ্ছেন।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের আরাফাত মহল্লায় আয়োজিত এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত এই সমাবেশে জামায়াত নেতা তারেক রহমানের রাজনৈতিক পরিপক্বতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ধর্মীয় বিষয়ে তাঁর বক্তব্যের কঠোর নিন্দা জানান।
তারেক রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা মিয়া গোলাম পরওয়ার তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমরা ধারণা করেছিলাম লন্ডনে পড়াশোনা করে তাঁর (তারেক রহমান) রাজনৈতিক পরিপক্বতা বেড়েছে। কিন্তু এখন দেখছি তিনি বড় মুফতি সেজেছেন। কে মুসলমান আর কে কাফের, সেই ফতোয়া দিচ্ছেন তিনি।” জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল আরও যোগ করেন, কোনো ব্যক্তি যদি আল্লাহ, রাসুল ও আখেরাতে বিশ্বাস করেন, তবে অন্য কোনো বিশ্বাসী ব্যক্তিকে কাফের বলা ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী জায়েজ নেই। তারেক রহমান এমন মন্তব্য করে বড় অপরাধ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ আসন্ন নির্বাচনকে ‘দ্বীন কায়েমের নিয়মতান্ত্রিক জিহাদ’ হিসেবে উল্লেখ করে গোলাম পরওয়ার বলেন, আধুনিক যুগে অস্ত্রের লড়াইয়ের বদলে ব্যালটের মাধ্যমেই রাষ্ট্রব্যবস্থা ও আইন পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বর্তমান সময়ে এটিই সংগ্রামের সঠিক পথ।
১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অনেক দল পাকিস্তানের অখণ্ডতার পক্ষে ছিল, যা একটি রাজনৈতিক মতপার্থক্য মাত্র, কোনো অপরাধ নয়। তিনি স্পষ্ট করেন যে, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে পূর্ণাঙ্গভাবে স্বীকার করে এবং দলের গঠনতন্ত্রেও মুক্তিযুদ্ধের অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
ঐক্যের ডাক সমাবেশের সমাপ্তিতে তিনি উপস্থিত নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং দেশের আদর্শিক ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম ও অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লাসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন