ভাইবোনদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে ভুয়া স্বাক্ষর ও জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার শেয়ার আত্মসাতের অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
বুধবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দাখিল করা চার্জশিট গ্রহণ করে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের গ্রেফতার সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
গ্রেফতারি পরোয়ানা পাওয়া অপর দুই আসামি হলেন— ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মো. লতিফুর রহমানের স্ত্রী মিসেস শাহনাজ রহমান এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সামসুজ্জামান পাটোয়ারী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মনির হোসাইন।
চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালের ১৩ জুন একটি ভুয়া বোর্ড মিটিং দেখিয়ে শেয়ার হস্তান্তরের নথিপত্র তৈরি করা হয়। ওই শেয়ার হস্তান্তরের সময় দাতা ও গ্রহীতা কেউই উপস্থিত ছিলেন না এবং এ ক্ষেত্রে জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ও ফার্মস (আরজেএসসি)-এর বিধিবিধানও লঙ্ঘন করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, পারিবারিক ডিড অব সেটেলমেন্ট ও শেয়ার হস্তান্তরের নথিতে ভুয়া স্বাক্ষর ও জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মোট ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার আত্মসাৎ করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
উল্লেখ্য, ভাইবোনদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে ২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মো. লতিফুর রহমানের মেয়ে শাযরেহ হক গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
ভাইবোনদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করতে ভুয়া স্বাক্ষর ও জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার শেয়ার আত্মসাতের অভিযোগে ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
বুধবার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) দাখিল করা চার্জশিট গ্রহণ করে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আসামিদের গ্রেফতার সংক্রান্ত অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
গ্রেফতারি পরোয়ানা পাওয়া অপর দুই আসামি হলেন— ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মো. লতিফুর রহমানের স্ত্রী মিসেস শাহনাজ রহমান এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সামসুজ্জামান পাটোয়ারী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মনির হোসাইন।
চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২০ সালের ১৩ জুন একটি ভুয়া বোর্ড মিটিং দেখিয়ে শেয়ার হস্তান্তরের নথিপত্র তৈরি করা হয়। ওই শেয়ার হস্তান্তরের সময় দাতা ও গ্রহীতা কেউই উপস্থিত ছিলেন না এবং এ ক্ষেত্রে জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ও ফার্মস (আরজেএসসি)-এর বিধিবিধানও লঙ্ঘন করা হয়েছে।
এছাড়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, পারিবারিক ডিড অব সেটেলমেন্ট ও শেয়ার হস্তান্তরের নথিতে ভুয়া স্বাক্ষর ও জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মোট ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার আত্মসাৎ করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
উল্লেখ্য, ভাইবোনদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে ২০২৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মো. লতিফুর রহমানের মেয়ে শাযরেহ হক গুলশান থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

আপনার মতামত লিখুন