দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের চূড়ান্ত সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র ইতোমধ্যে চীনা সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং অর্থায়নসংক্রান্ত চূড়ান্ত আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নীলফামারীতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমে অংশ নিতে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে চীনা সরকারের একটি বিশেষজ্ঞ দল তিস্তা মহাপরিকল্পনার কারিগরি, আর্থিক ও বাস্তবায়ন কাঠামো যাচাই-বাছাই করছে। যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চূড়ান্ত সম্মতি মিললেই দেশের সর্ববৃহৎ এই উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি, সেচব্যবস্থা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশগত ভারসাম্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এটি শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়, বরং এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব শুধু অন্তর্বর্তী সরকারের নয়। জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সচেতন ভূমিকা এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পরে তিনি সড়কপথে নীলফামারীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে চীনের চূড়ান্ত সম্মতির অপেক্ষায় রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র ইতোমধ্যে চীনা সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং অর্থায়নসংক্রান্ত চূড়ান্ত আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নীলফামারীতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমে অংশ নিতে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা জানান, বর্তমানে চীনা সরকারের একটি বিশেষজ্ঞ দল তিস্তা মহাপরিকল্পনার কারিগরি, আর্থিক ও বাস্তবায়ন কাঠামো যাচাই-বাছাই করছে। যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চূড়ান্ত সম্মতি মিললেই দেশের সর্ববৃহৎ এই উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
তিনি আরও বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের কৃষি, সেচব্যবস্থা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশগত ভারসাম্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এটি শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়, বরং এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব শুধু অন্তর্বর্তী সরকারের নয়। জনগণের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সচেতন ভূমিকা এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পরে তিনি সড়কপথে নীলফামারীর উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

আপনার মতামত লিখুন