জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে, যেখানে দলের নেতারা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, দলটি জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য নেতৃস্থানীয় দলের নেতৃত্বে গঠিত জোটে যোগদান করেছে। তিনি এই জোটকে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর লক্ষ্য আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা।
নাহিদ ইসলাম আরও জানান, পূর্বে এনসিপি নিজস্বভাবে প্রতিটি আসনে প্রার্থী দেয়ার পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করে বৃহত্তর ঐক্যের পথে হাঁটতে হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক সংস্কার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সংবাদ সম্মেলনে দলের তরুণ নেতা ও বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব অংশগ্রহণ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, জোটের অংশীদাররা নির্বাচনী পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।
এনসিপির এই ঘোষণার মাধ্যমে রাজনৈতিক মহলে স্পষ্ট বার্তা গেছে যে, দল জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে এবং নির্বাচনে সংগঠিত ও স্বচ্ছ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে, যেখানে দলের নেতারা সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচনী পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ঘোষণা দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজধানীর বাংলামোটর এলাকায় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, দলটি জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য নেতৃস্থানীয় দলের নেতৃত্বে গঠিত জোটে যোগদান করেছে। তিনি এই জোটকে ‘বৃহত্তর ঐক্য’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর লক্ষ্য আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা।
নাহিদ ইসলাম আরও জানান, পূর্বে এনসিপি নিজস্বভাবে প্রতিটি আসনে প্রার্থী দেয়ার পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করে বৃহত্তর ঐক্যের পথে হাঁটতে হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই পদক্ষেপ গণতান্ত্রিক সংস্কার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সংবাদ সম্মেলনে দলের তরুণ নেতা ও বিভিন্ন স্তরের নেতৃত্ব অংশগ্রহণ করেছেন। তারা জানিয়েছেন, জোটের অংশীদাররা নির্বাচনী পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।
এনসিপির এই ঘোষণার মাধ্যমে রাজনৈতিক মহলে স্পষ্ট বার্তা গেছে যে, দল জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে এবং নির্বাচনে সংগঠিত ও স্বচ্ছ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আপনার মতামত লিখুন