ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

গুম হওয়া স্বজনের অপেক্ষা রাষ্ট্রের জন্য বড় দায়: তারেক রহমান


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

গুম হওয়া স্বজনের অপেক্ষা রাষ্ট্রের জন্য বড় দায়: তারেক রহমান

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার রাজধানীর শেরে‑বাংলা নগরে চীন‑বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রিয়জন হারানো মানুষের অপেক্ষা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নয় — এটি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় দায় ও নৈতিক দায়িত্ব

এতে তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্র কখনওই তাদেরকে ভুলতে পারে না, যারা গুম হয়েছেন বা যাদের প্রিয়জন মারা গেছেন। ভবিষ্যৎ সরকারের দায়িত্ব হবে তাদের জন্য সুষ্ঠু বিচার, সম্মানজনক স্মরণ ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা।”

সভায় অংশ নেন গুম‑খুনের শিকার পরিবারগুলো এবং বিএনপি নেতারা। করেছেন ব্যক্তিগত কষ্টের বয়ান ও দাবি — অন্তত সন্তান বা স্বামী/স্ত্রীর নিখোঁজ থাকা সমাধান ও ন্যায়বিচার চাওয়া। অনেক ক্ষেত্রেই তারা আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদেছেন; এক মায়ের ভিডিও‑ক্লিপে তাকে তারেক রহমানকে আলিঙ্গন করে কাদা চোখে আর্তনাদ করতে দেখা গেছে।

সভাটি সকাল ১১:১৫টায় শুরু হয় এবং এটি আমরা বিএনপি পরিবারমায়ের ডাক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্য সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং সভা পরিচালনা করেন বিএনপি নেতারা।

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘদিন তিনি দেশের বাইরে থেকেও সক্রিয়ভাবে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার চেষ্টা করেছেন এবং “বিএনপি‑র কোনো নেতা বা কর্মী গোপনে বা কৌশলে চলাফেরা করেনি; বরং শুরু থেকেই ওপেনভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার চেষ্টা চালিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা গুম‑খুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য রাষ্ট্র দায় এড়িয়ে যেতে পারে না। বিএনপি সবসময় তাদের পাশে থাকবে।”

তারেক রহমান সভায় আরও জানান, বর্তমান নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক পরিবেশে কিছু বিতর্কিত অবস্থান দেখা গেছে, যার কারণে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, “গণতন্ত্রকে আবারও পথভ্রষ্ট করতে দেওয়া যাবে না।”

তিনি ভবিষ্যৎ সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, “স্মৃতিস্মরণীয়ভাবে শহীদ ও গুম‑খুনের শিকারদের স্মরণার্থে সড়ক, প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নাম রাখা হবে যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের স্মরণ করতে পারে।”

সভায় অংশ নেওয়া পরিবারের সদস্যরা বলেন, নিখোঁজ স্বজনদের যদিও মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তথাপি তাদের অপেক্ষা চলছেই। অনেকেই বলেন, তাঁদের কাছে এখনো কোনো ন্যায্য তথ্য বা সরকারি সহায়তা আসেনি। তারা দাবি করেন, সুষ্ঠু তদন্ত, বিরুদ্ধে দায়ীদের বিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা উচিত।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


গুম হওয়া স্বজনের অপেক্ষা রাষ্ট্রের জন্য বড় দায়: তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার রাজধানীর শেরে‑বাংলা নগরে চীন‑বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রিয়জন হারানো মানুষের অপেক্ষা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নয় — এটি রাষ্ট্রের জন্য একটি বড় দায় ও নৈতিক দায়িত্ব

এতে তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্র কখনওই তাদেরকে ভুলতে পারে না, যারা গুম হয়েছেন বা যাদের প্রিয়জন মারা গেছেন। ভবিষ্যৎ সরকারের দায়িত্ব হবে তাদের জন্য সুষ্ঠু বিচার, সম্মানজনক স্মরণ ও স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করা।”

সভায় অংশ নেন গুম‑খুনের শিকার পরিবারগুলো এবং বিএনপি নেতারা। করেছেন ব্যক্তিগত কষ্টের বয়ান ও দাবি — অন্তত সন্তান বা স্বামী/স্ত্রীর নিখোঁজ থাকা সমাধান ও ন্যায়বিচার চাওয়া। অনেক ক্ষেত্রেই তারা আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদেছেন; এক মায়ের ভিডিও‑ক্লিপে তাকে তারেক রহমানকে আলিঙ্গন করে কাদা চোখে আর্তনাদ করতে দেখা গেছে।

সভাটি সকাল ১১:১৫টায় শুরু হয় এবং এটি আমরা বিএনপি পরিবারমায়ের ডাক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে আয়োজিত হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্য সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং সভা পরিচালনা করেন বিএনপি নেতারা।

তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘদিন তিনি দেশের বাইরে থেকেও সক্রিয়ভাবে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার চেষ্টা করেছেন এবং “বিএনপি‑র কোনো নেতা বা কর্মী গোপনে বা কৌশলে চলাফেরা করেনি; বরং শুরু থেকেই ওপেনভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার চেষ্টা চালিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা গুম‑খুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের জন্য রাষ্ট্র দায় এড়িয়ে যেতে পারে না। বিএনপি সবসময় তাদের পাশে থাকবে।”

তারেক রহমান সভায় আরও জানান, বর্তমান নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক পরিবেশে কিছু বিতর্কিত অবস্থান দেখা গেছে, যার কারণে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, “গণতন্ত্রকে আবারও পথভ্রষ্ট করতে দেওয়া যাবে না।”

তিনি ভবিষ্যৎ সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে বলেন, “স্মৃতিস্মরণীয়ভাবে শহীদ ও গুম‑খুনের শিকারদের স্মরণার্থে সড়ক, প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নাম রাখা হবে যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের স্মরণ করতে পারে।”

সভায় অংশ নেওয়া পরিবারের সদস্যরা বলেন, নিখোঁজ স্বজনদের যদিও মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তথাপি তাদের অপেক্ষা চলছেই। অনেকেই বলেন, তাঁদের কাছে এখনো কোনো ন্যায্য তথ্য বা সরকারি সহায়তা আসেনি। তারা দাবি করেন, সুষ্ঠু তদন্ত, বিরুদ্ধে দায়ীদের বিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা উচিত।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ