পটুয়াখালীর গলাচিপায় রামনাবাদ ও আগুনমুখা নদীর মোহনায় অবৈধ মৎস্য শিকার রোধে কম্বিং অপারেশনের দ্বিতীয় ধাপে সফল অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের অক্কারাম স্লুইস গেট সংলগ্ন নদী এলাকা থেকে উদ্ধার করা নিষিদ্ধ চরঘেরা, বাধা ও কারেন্ট জাল নদীর পাড়ে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্র জানায়, অভিযানে প্রায় ৭ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়েছে। এসব জালের আনুমানিক বাজার মূল্য ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এ ধরনের জাল ব্যবহারের ফলে নদীর স্বাভাবিক মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবি, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেটি অফিসার শফিক এলএমই, এনামুল, এবি রাসেল, ফিরোজ, এমএ-১ সৈকতসহ উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও নৌবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবি বলেন, নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং মাছের বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে অবৈধ জাল ও চরঘেরার বিরুদ্ধে অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে নদী ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিয়মিত তদারকি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
পটুয়াখালীর গলাচিপায় রামনাবাদ ও আগুনমুখা নদীর মোহনায় অবৈধ মৎস্য শিকার রোধে কম্বিং অপারেশনের দ্বিতীয় ধাপে সফল অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে গলাচিপা সদর ইউনিয়নের অক্কারাম স্লুইস গেট সংলগ্ন নদী এলাকা থেকে উদ্ধার করা নিষিদ্ধ চরঘেরা, বাধা ও কারেন্ট জাল নদীর পাড়ে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্র জানায়, অভিযানে প্রায় ৭ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার করা হয়েছে। এসব জালের আনুমানিক বাজার মূল্য ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এ ধরনের জাল ব্যবহারের ফলে নদীর স্বাভাবিক মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবি, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পেটি অফিসার শফিক এলএমই, এনামুল, এবি রাসেল, ফিরোজ, এমএ-১ সৈকতসহ উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও নৌবাহিনীর অন্যান্য সদস্যরা।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবি বলেন, নদীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং মাছের বংশবিস্তার নিশ্চিত করতে অবৈধ জাল ও চরঘেরার বিরুদ্ধে অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে নদী ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিয়মিত তদারকি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন