দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রাজবাড়ী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাহিন শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, শাহিন শেখকে ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলে আটক করা হয়।
রাজবাড়ী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল সাংবাদিকদের জানান, গ্রেফতারকৃত শাহিন শেখকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কিছু আইনি অভিযোগ রয়েছে, এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাহিন শেখ বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজবাড়ী জেলা সভাপতি হিসেবে পরিচিত। এটি দেশের ছাত্ররাজনীতি সংক্রান্ত আইন প্রয়োগ ও নিষিদ্ধ সংগঠনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে। এর আগে নরসিংদীর জেলা সাধারণ সম্পাদক শাহ জালাল আহমেদ শাওনকে একইভাবে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
বিমানবন্দর পুলিশ জানায়, আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় যেকোনো সন্দেহজনক বা আত্মগোপনে থাকা ব্যক্তিকে আটক করার আইনগত অধিকার তাদের আছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম রোধ করাও বিমানবন্দরের দায়িত্বের অংশ।
ঘটনার পর রাজবাড়ী জেলা ও ঢাকা পুলিশ নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলা প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় প্রশাসনের নজরদারি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার গুরুত্ব আবারও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রাজবাড়ী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাহিন শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, শাহিন শেখকে ইমিগ্রেশন কন্ট্রোলে আটক করা হয়।
রাজবাড়ী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপস কুমার পাল সাংবাদিকদের জানান, গ্রেফতারকৃত শাহিন শেখকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কিছু আইনি অভিযোগ রয়েছে, এবং পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাহিন শেখ বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজবাড়ী জেলা সভাপতি হিসেবে পরিচিত। এটি দেশের ছাত্ররাজনীতি সংক্রান্ত আইন প্রয়োগ ও নিষিদ্ধ সংগঠনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে। এর আগে নরসিংদীর জেলা সাধারণ সম্পাদক শাহ জালাল আহমেদ শাওনকে একইভাবে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
বিমানবন্দর পুলিশ জানায়, আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় যেকোনো সন্দেহজনক বা আত্মগোপনে থাকা ব্যক্তিকে আটক করার আইনগত অধিকার তাদের আছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম রোধ করাও বিমানবন্দরের দায়িত্বের অংশ।
ঘটনার পর রাজবাড়ী জেলা ও ঢাকা পুলিশ নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদ ও মামলা প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় প্রশাসনের নজরদারি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার গুরুত্ব আবারও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন