জামায়াত‑নেতৃত্বাধীন ১১‑দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শুরু হয়েছে। রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে জোটের প্রায় সকল দলের শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল আসন‑সমঝোতা চূড়ান্ত করা এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে দলগুলোর অবস্থান প্রকাশ করা।
তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ জানান, জোটের সঙ্গে আলোচনায় চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি আরও বলেন, নিজেদের অবস্থান তারা আলাদা করে প্রকাশ করবে। আসন‑সমঝোতা নিয়ে বিরোধ মূলত আসন সংখ্যার ওপর কেন্দ্রিত। ইসলামী আন্দোলন দাবি করেছিল তারা নির্দিষ্ট সংখ্যা আসনে একক প্রার্থী দাঁড়াবে, কিন্তু অন্যান্য দলের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
জোটের বাকি ১০ দল মিলিয়ে মোট ২৫০টি আসনের সমঝোতা চূড়ান্ত করেছে। ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৫০টি আসন খালি রাখা হয়েছে, তবে দলের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত থাকায় এই আসনগুলো কার্যত রিজার্ভ হিসেবে রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ভিন্নমতের কারণে জোটের কার্যকারিতা ও একতা নির্বাচনের আগে প্রভাবিত হতে পারে।
জোটের নেতারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান প্রকাশ করলেও ইসলামী আন্দোলনের অনুপস্থিতি জোটের মধ্যে অস্থিরতা ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দলগুলো চূড়ান্ত সমঝোতা না করলে নির্বাচনের আগে জোটের শক্তি কমতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াত‑নেতৃত্বাধীন ১১‑দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শুরু হয়েছে। রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে জোটের প্রায় সকল দলের শীর্ষ নেতা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল আসন‑সমঝোতা চূড়ান্ত করা এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে দলগুলোর অবস্থান প্রকাশ করা।
তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ জানান, জোটের সঙ্গে আলোচনায় চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি আরও বলেন, নিজেদের অবস্থান তারা আলাদা করে প্রকাশ করবে। আসন‑সমঝোতা নিয়ে বিরোধ মূলত আসন সংখ্যার ওপর কেন্দ্রিত। ইসলামী আন্দোলন দাবি করেছিল তারা নির্দিষ্ট সংখ্যা আসনে একক প্রার্থী দাঁড়াবে, কিন্তু অন্যান্য দলের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।
জোটের বাকি ১০ দল মিলিয়ে মোট ২৫০টি আসনের সমঝোতা চূড়ান্ত করেছে। ইসলামী আন্দোলনের জন্য ৫০টি আসন খালি রাখা হয়েছে, তবে দলের অংশগ্রহণ অনিশ্চিত থাকায় এই আসনগুলো কার্যত রিজার্ভ হিসেবে রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ভিন্নমতের কারণে জোটের কার্যকারিতা ও একতা নির্বাচনের আগে প্রভাবিত হতে পারে।
জোটের নেতারা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের অবস্থান প্রকাশ করলেও ইসলামী আন্দোলনের অনুপস্থিতি জোটের মধ্যে অস্থিরতা ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দলগুলো চূড়ান্ত সমঝোতা না করলে নির্বাচনের আগে জোটের শক্তি কমতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন