শীতকাল সাধারণত পানিশূন্যতার ঝুঁকি কম বলে মনে করা হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, শীতেও শরীর যথেষ্ট পানি হারায় এবং তৃষ্ণা কম অনুভূত হওয়ায় মানুষ কম পানি খায়। ফলে শীতকালে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা একটি চুপচাপ কিন্তু গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শীতকালে শরীর থেকে পানি কমে যাওয়ার পিছনে কয়েকটি কারণ কাজ করে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় মানুষ কম পানি পান করে, শুষ্ক বাতাস এবং ঘরের হিটার শরীর থেকে পানি বের করে, অনেক কাপড় পরে থাকার পরও ঘামের মাধ্যমে পানি ক্ষতি হয় এবং কফি, চা বা অ্যালকোহল শরীর থেকে পানি বের করতে সাহায্য করে।
শীতকালে ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ঠোঁট ফাটা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া, পেশিতে টান বা ক্র্যাম্প এবং প্রস্রাব কম বা গাঢ় বর্ণের হওয়া। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে সতর্ক হওয়া জরুরি।
ডিহাইড্রেশন এড়াতে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। দিনে অন্তত ২–৩ লিটার পানি বা উষ্ণ তরল পানীয় নিয়মিত খাওয়া উচিত। এছাড়া স্যুপ, স্টিউ, তরকারি, ফল ও সালাদ জাতীয় জল-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। পানি খাওয়ার জন্য ফোনে রিমাইন্ডার ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘরের ভিতরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার এবং কফি বা চা পরিমিতি বজায় রেখে খাওয়াও প্রয়োজন। শীতের ব্যায়ামের পর অতিরিক্ত পানি খাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞরা শিশু ও বৃদ্ধদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ তাদের তৃষ্ণা কম অনুভূত হয় এবং তারা সহজে ডিহাইড্রেশনের শিকার হতে পারে। শীতেও পানি কম খাওয়া কিডনি, ত্বক এবং অন্যান্য অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
শীতেও ডিহাইড্রেশন ঝুঁকি কম নয়। কম পানি খাওয়ার কারণে শরীর দ্রুত পানি হারায়, যা ক্লান্তি, মাথাব্যথা, চুলকানি এবং পেশির সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। নিয়মিত পানি ও উষ্ণ তরল পান করা, জল-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং ঘরের আর্দ্রতা বজায় রাখা শীতের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
শীতকাল সাধারণত পানিশূন্যতার ঝুঁকি কম বলে মনে করা হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, শীতেও শরীর যথেষ্ট পানি হারায় এবং তৃষ্ণা কম অনুভূত হওয়ায় মানুষ কম পানি খায়। ফলে শীতকালে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা একটি চুপচাপ কিন্তু গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শীতকালে শরীর থেকে পানি কমে যাওয়ার পিছনে কয়েকটি কারণ কাজ করে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় মানুষ কম পানি পান করে, শুষ্ক বাতাস এবং ঘরের হিটার শরীর থেকে পানি বের করে, অনেক কাপড় পরে থাকার পরও ঘামের মাধ্যমে পানি ক্ষতি হয় এবং কফি, চা বা অ্যালকোহল শরীর থেকে পানি বের করতে সাহায্য করে।
শীতকালে ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ঠোঁট ফাটা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া, পেশিতে টান বা ক্র্যাম্প এবং প্রস্রাব কম বা গাঢ় বর্ণের হওয়া। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে সতর্ক হওয়া জরুরি।
ডিহাইড্রেশন এড়াতে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। দিনে অন্তত ২–৩ লিটার পানি বা উষ্ণ তরল পানীয় নিয়মিত খাওয়া উচিত। এছাড়া স্যুপ, স্টিউ, তরকারি, ফল ও সালাদ জাতীয় জল-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। পানি খাওয়ার জন্য ফোনে রিমাইন্ডার ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘরের ভিতরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে হিউমিডিফায়ার ব্যবহার এবং কফি বা চা পরিমিতি বজায় রেখে খাওয়াও প্রয়োজন। শীতের ব্যায়ামের পর অতিরিক্ত পানি খাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞরা শিশু ও বৃদ্ধদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। কারণ তাদের তৃষ্ণা কম অনুভূত হয় এবং তারা সহজে ডিহাইড্রেশনের শিকার হতে পারে। শীতেও পানি কম খাওয়া কিডনি, ত্বক এবং অন্যান্য অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
শীতেও ডিহাইড্রেশন ঝুঁকি কম নয়। কম পানি খাওয়ার কারণে শরীর দ্রুত পানি হারায়, যা ক্লান্তি, মাথাব্যথা, চুলকানি এবং পেশির সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। নিয়মিত পানি ও উষ্ণ তরল পান করা, জল-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং ঘরের আর্দ্রতা বজায় রাখা শীতের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন