ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ-ইনের ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্র জানায়, নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)-এর অধীন গোমস্তাপুর উপজেলার চাড়ালডাঙ্গা বিওপির বিপরীতে অবস্থিত ৮৮/ইটাঘাটা বিএসএফ ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২১৯/৭১ আর-এর কাছে দিয়ে বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটে তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ৮ জন নারী ও ৪ জন শিশু রয়েছে।
ঘটনার পরপরই চাড়ালডাঙ্গা বিওপির একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে সীমান্ত পিলার ২১৯/২৯ আর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শিবনগর বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানিয়েছেন, তারা সবাই ভারতের মালদহ জেলার হবিকুঠি থানা এলাকার আগ্রাবাদ জেলখানায় তিন মাস কারাভোগের পর বিএসএফের মাধ্যমে বাংলাদেশে পুশ-ইনের শিকার হয়েছেন।
বর্তমানে তারা চাড়ালডাঙ্গা বিওপিতে অবস্থান করছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়ায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
এদিকে একই দিন ভারত থেকে পুশ-ইন হয়ে আসার পথে আরও ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বুধবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে সীমান্ত পিলার ২১৩ মেইন পিলার থেকে প্রায় ৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার ভেতরে রহনপুর কলেজ মোড় সংলগ্ন নাচোল সড়কে সিএনজি মেকানিক সাইদুর রহমানের দোকানের সামনে দুই পুরুষ, দুই নারী ও এক শিশু স্থানীয়দের সন্দেহের মুখে পড়েন।
খবর পেয়ে এএসআই মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের গোমস্তাপুর থানায় নিয়ে যায়। গোমস্তাপুর থানার ওসি মো. আব্দুল বারিক জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশ-ইনের ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত এলাকা থেকে ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্র জানায়, নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)-এর অধীন গোমস্তাপুর উপজেলার চাড়ালডাঙ্গা বিওপির বিপরীতে অবস্থিত ৮৮/ইটাঘাটা বিএসএফ ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২১৯/৭১ আর-এর কাছে দিয়ে বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটে তাদের বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ৮ জন নারী ও ৪ জন শিশু রয়েছে।
ঘটনার পরপরই চাড়ালডাঙ্গা বিওপির একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে সীমান্ত পিলার ২১৯/২৯ আর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শিবনগর বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানিয়েছেন, তারা সবাই ভারতের মালদহ জেলার হবিকুঠি থানা এলাকার আগ্রাবাদ জেলখানায় তিন মাস কারাভোগের পর বিএসএফের মাধ্যমে বাংলাদেশে পুশ-ইনের শিকার হয়েছেন।
বর্তমানে তারা চাড়ালডাঙ্গা বিওপিতে অবস্থান করছেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়ায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
এদিকে একই দিন ভারত থেকে পুশ-ইন হয়ে আসার পথে আরও ৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বুধবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে সীমান্ত পিলার ২১৩ মেইন পিলার থেকে প্রায় ৮ দশমিক ৫ কিলোমিটার ভেতরে রহনপুর কলেজ মোড় সংলগ্ন নাচোল সড়কে সিএনজি মেকানিক সাইদুর রহমানের দোকানের সামনে দুই পুরুষ, দুই নারী ও এক শিশু স্থানীয়দের সন্দেহের মুখে পড়েন।
খবর পেয়ে এএসআই মুশফিকুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের গোমস্তাপুর থানায় নিয়ে যায়। গোমস্তাপুর থানার ওসি মো. আব্দুল বারিক জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন