দুবাইয়ে এক প্রবাসী শিক্ষকের প্রিয় বিড়াল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাকে খুঁজে পেতে এক লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৪৫ দিন ধরে নিখোঁজ আরবিয়ান মাউ জাতের বিড়ালটির নাম ল্যান্ডো।
দুবাইয়ের একটি ব্রিটিশ কারিকুলাম স্কুলের সংগীত শিক্ষক পিটার হপকিন্স দীর্ঘদিন ধরে ল্যান্ডোকে লালন-পালন করে আসছিলেন। সাদা ও কমলা-বাদামি দাগযুক্ত এই বিড়ালটির লেজের ডগায় রয়েছে হালকা বাঁক, যা তাকে সহজেই আলাদা করে চেনা যায়।
গত ২৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে দুবাই ল্যান্ড রেসিডেন্স কমপ্লেক্সের পার্ক প্লেস রেসিডেন্স এলাকা থেকে ল্যান্ডো নিখোঁজ হয়। সে সময় পিটার হপকিন্স ছুটিতে ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতে বিড়ালটির দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন একই স্কুলের জীববিজ্ঞান শিক্ষক হেইলি রেনল্ডস। তিনি জানান, অসাবধানতাবশত বারান্দার দরজা খোলা থাকায় রাতের মধ্যে ল্যান্ডো বাইরে বেরিয়ে যায় এবং আর ফিরে আসেনি।
নিখোঁজের পর থেকে হেইলি রেনল্ডস নিয়মিত আশপাশের পার্ক, রাস্তা ও স্কুল এলাকার চারপাশে খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় কমিউনিটি ও প্রতিবেশীদেরও অনুসন্ধানে যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ল্যান্ডোর ছবি ও বিস্তারিত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ দেখে চিনতে পারেন।
প্রিয় পোষ্যকে ফিরে পাওয়ার আশায় পিটার হপকিন্স ও তার সহকর্মীরা ৩ হাজার দিরহাম, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক লাখ টাকা, পুরস্কার ঘোষণা করেছেন। তারা আশা করছেন, এই পুরস্কারের ঘোষণা স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও সক্রিয়ভাবে অনুসন্ধানে উৎসাহিত করবে এবং ল্যান্ডো দ্রুত ফিরে আসবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
দুবাইয়ে এক প্রবাসী শিক্ষকের প্রিয় বিড়াল নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় তাকে খুঁজে পেতে এক লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৪৫ দিন ধরে নিখোঁজ আরবিয়ান মাউ জাতের বিড়ালটির নাম ল্যান্ডো।
দুবাইয়ের একটি ব্রিটিশ কারিকুলাম স্কুলের সংগীত শিক্ষক পিটার হপকিন্স দীর্ঘদিন ধরে ল্যান্ডোকে লালন-পালন করে আসছিলেন। সাদা ও কমলা-বাদামি দাগযুক্ত এই বিড়ালটির লেজের ডগায় রয়েছে হালকা বাঁক, যা তাকে সহজেই আলাদা করে চেনা যায়।
গত ২৯ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে দুবাই ল্যান্ড রেসিডেন্স কমপ্লেক্সের পার্ক প্লেস রেসিডেন্স এলাকা থেকে ল্যান্ডো নিখোঁজ হয়। সে সময় পিটার হপকিন্স ছুটিতে ছিলেন। তার অনুপস্থিতিতে বিড়ালটির দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন একই স্কুলের জীববিজ্ঞান শিক্ষক হেইলি রেনল্ডস। তিনি জানান, অসাবধানতাবশত বারান্দার দরজা খোলা থাকায় রাতের মধ্যে ল্যান্ডো বাইরে বেরিয়ে যায় এবং আর ফিরে আসেনি।
নিখোঁজের পর থেকে হেইলি রেনল্ডস নিয়মিত আশপাশের পার্ক, রাস্তা ও স্কুল এলাকার চারপাশে খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় কমিউনিটি ও প্রতিবেশীদেরও অনুসন্ধানে যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ল্যান্ডোর ছবি ও বিস্তারিত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ দেখে চিনতে পারেন।
প্রিয় পোষ্যকে ফিরে পাওয়ার আশায় পিটার হপকিন্স ও তার সহকর্মীরা ৩ হাজার দিরহাম, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক লাখ টাকা, পুরস্কার ঘোষণা করেছেন। তারা আশা করছেন, এই পুরস্কারের ঘোষণা স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও সক্রিয়ভাবে অনুসন্ধানে উৎসাহিত করবে এবং ল্যান্ডো দ্রুত ফিরে আসবে।

আপনার মতামত লিখুন