বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) গাজীপুর ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ‘কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ও রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং এটি কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর একটি কার্যকর সহায়ক প্রযুক্তি। এআই ব্যবহারে প্রশাসন, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষাখাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও তথ্যভিত্তিক ও কার্যকর হচ্ছে। তবে চাকরি, তথ্যের গোপনীয়তা ও নৈতিকতার বিষয়ে সতর্ক থাকার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
তিনি আরও বলেন, বাউবি’র মতো ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং প্রতিষ্ঠানে এআই ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি বিশ্লেষণ, একাডেমিক সাপোর্ট এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি করে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান। তিনি বলেন, এআই বর্তমানে শিক্ষা ও প্রশাসনে বাস্তবভাবে ব্যবহৃত একটি কার্যকর প্রযুক্তি। এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণে নির্ভুলতা বাড়ানোর পাশাপাশি সময় ও ব্যয় সাশ্রয় করছে। তবে তথ্য নিরাপত্তা ও নৈতিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ ও দায়িত্বশীল ব্যবহার অপরিহার্য।
প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি ইউনিটের প্রধান ও আইসিটি কনসালটেন্ট মোঃ মুমিনুল ইসলাম। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিচিতি, কর্মক্ষেত্রে এর ব্যবহার, অফিস অটোমেশনে চিঠি, নোট ও রিপোর্ট ড্রাফটিং, পরীক্ষা সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ, নৈতিকতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রজেক্টরের মাধ্যমে তিনি অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুল ও বিভাগ থেকে মোট ৩৬ জন প্রশিক্ষণার্থী এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) গাজীপুর ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ‘কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ও রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাঃ শামীম। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়; বরং এটি কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর একটি কার্যকর সহায়ক প্রযুক্তি। এআই ব্যবহারে প্রশাসন, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষাখাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও তথ্যভিত্তিক ও কার্যকর হচ্ছে। তবে চাকরি, তথ্যের গোপনীয়তা ও নৈতিকতার বিষয়ে সতর্ক থাকার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
তিনি আরও বলেন, বাউবি’র মতো ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং প্রতিষ্ঠানে এআই ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি বিশ্লেষণ, একাডেমিক সাপোর্ট এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি করে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান। তিনি বলেন, এআই বর্তমানে শিক্ষা ও প্রশাসনে বাস্তবভাবে ব্যবহৃত একটি কার্যকর প্রযুক্তি। এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণে নির্ভুলতা বাড়ানোর পাশাপাশি সময় ও ব্যয় সাশ্রয় করছে। তবে তথ্য নিরাপত্তা ও নৈতিকতার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ ও দায়িত্বশীল ব্যবহার অপরিহার্য।
প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি ইউনিটের প্রধান ও আইসিটি কনসালটেন্ট মোঃ মুমিনুল ইসলাম। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিচিতি, কর্মক্ষেত্রে এর ব্যবহার, অফিস অটোমেশনে চিঠি, নোট ও রিপোর্ট ড্রাফটিং, পরীক্ষা সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ, নৈতিকতা ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। প্রজেক্টরের মাধ্যমে তিনি অংশগ্রহণকারীদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুল ও বিভাগ থেকে মোট ৩৬ জন প্রশিক্ষণার্থী এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন