বাড়ির রান্নার ছোট ছোট ভুলও রক্তে ‘খারাপ কোলেস্টেরল’ বা LDL বৃদ্ধি করতে পারে এবং হার্টের রোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। চিকিৎসা ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল খাদ্যের ধরন নয়, রান্নার পদ্ধতি ও দৈনন্দিন অভ্যাসগুলোর কারণে অনেকের কোলেস্টেরল বেড়ে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নার কিছু সাধারণ ভুল LDL বৃদ্ধির প্রধান কারণ। অধিক তেল বা ঘি‑মাখন ব্যবহার, পুরোনো তেল বারবার পুনঃব্যবহার এবং অতিরিক্ত ভাজাভুজি কোলেস্টেরল বাড়ায়। পাশাপাশি, রান্নায় শাকসবজি, ডাল ও ওটসের মতো ফাইবারযুক্ত খাবার কম ব্যবহার করাও LDL নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। অনেকেই খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও চিনি ব্যবহার করেন, যা মেটাবলিজমে প্রভাব ফেলে এবং কোলেস্টেরল বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।
পুষ্টিবিদরা জানান, ভাজাভুজি বা তেলে গভীরভাবে রান্না করা খাবারে ট্রান্স ফ্যাট তৈরি হয়, যা HDL বা ‘ভাল কোলেস্টেরল’ কমিয়ে LDL বাড়াতে সাহায্য করে। ঘি বা মাখনের মতো স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি ব্যবহার করাও কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ানোর জন্য দায়ী।
চিকিৎসকরা রান্নার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানার পরামর্শ দিচ্ছেন। কম তেল ব্যবহার করা, স্বাস্থ্যকর তেল যেমন অলিভ অয়েল বা ক্যানোলা ব্যবহার করা, ডিপ‑ফ্রাইয়ের পরিবর্তে বেক, স্টিম বা গ্রিল পদ্ধতি ব্যবহার করা, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করা এবং রাতে ভারী খাবার এড়িয়ে চলা LDL কমাতে সাহায্য করে।
গবেষণা থেকে জানা গেছে, কোলেস্টেরল শুধু খাবারের কারণে বাড়ে না। অপ্রচলিত বা কম সক্রিয় জীবনধারা (sedentary lifestyle), রাতের ভারী খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যও LDL বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য ও জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, নিয়মিত ব্যায়াম, শাকসবজি ও ফলের বেশি ব্যবহার, এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তারা মনে করছেন, খাবারের সাথে যত্নসহ রান্না ও সক্রিয় জীবনধারা অনুসরণ করলে LDL নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে এবং হার্ট সুস্থ থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
বাড়ির রান্নার ছোট ছোট ভুলও রক্তে ‘খারাপ কোলেস্টেরল’ বা LDL বৃদ্ধি করতে পারে এবং হার্টের রোগসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। চিকিৎসা ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল খাদ্যের ধরন নয়, রান্নার পদ্ধতি ও দৈনন্দিন অভ্যাসগুলোর কারণে অনেকের কোলেস্টেরল বেড়ে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নার কিছু সাধারণ ভুল LDL বৃদ্ধির প্রধান কারণ। অধিক তেল বা ঘি‑মাখন ব্যবহার, পুরোনো তেল বারবার পুনঃব্যবহার এবং অতিরিক্ত ভাজাভুজি কোলেস্টেরল বাড়ায়। পাশাপাশি, রান্নায় শাকসবজি, ডাল ও ওটসের মতো ফাইবারযুক্ত খাবার কম ব্যবহার করাও LDL নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। অনেকেই খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও চিনি ব্যবহার করেন, যা মেটাবলিজমে প্রভাব ফেলে এবং কোলেস্টেরল বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।
পুষ্টিবিদরা জানান, ভাজাভুজি বা তেলে গভীরভাবে রান্না করা খাবারে ট্রান্স ফ্যাট তৈরি হয়, যা HDL বা ‘ভাল কোলেস্টেরল’ কমিয়ে LDL বাড়াতে সাহায্য করে। ঘি বা মাখনের মতো স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি ব্যবহার করাও কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ানোর জন্য দায়ী।
চিকিৎসকরা রান্নার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানার পরামর্শ দিচ্ছেন। কম তেল ব্যবহার করা, স্বাস্থ্যকর তেল যেমন অলিভ অয়েল বা ক্যানোলা ব্যবহার করা, ডিপ‑ফ্রাইয়ের পরিবর্তে বেক, স্টিম বা গ্রিল পদ্ধতি ব্যবহার করা, ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করা এবং রাতে ভারী খাবার এড়িয়ে চলা LDL কমাতে সাহায্য করে।
গবেষণা থেকে জানা গেছে, কোলেস্টেরল শুধু খাবারের কারণে বাড়ে না। অপ্রচলিত বা কম সক্রিয় জীবনধারা (sedentary lifestyle), রাতের ভারী খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্যও LDL বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য ও জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনা জরুরি।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, নিয়মিত ব্যায়াম, শাকসবজি ও ফলের বেশি ব্যবহার, এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তারা মনে করছেন, খাবারের সাথে যত্নসহ রান্না ও সক্রিয় জীবনধারা অনুসরণ করলে LDL নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে এবং হার্ট সুস্থ থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন