মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কর ও ভ্যাট পরিশোধে নতুন ডিজিটাল সুবিধা চালু করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বিকাশের যৌথ উদ্যোগে এই সেবা চালু হওয়ায় বড় অঙ্কের করপোরেট লেনদেন এখন আরও সহজ, নিরাপদ ও রিয়েল-টাইমে সম্পন্ন হবে।
নতুন ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ব্যাংক হিসাব বা ডিসবার্সমেন্ট ওয়ালেট থেকে কোনো খরচ ছাড়াই বিকাশের বিশেষ মার্চেন্ট ওয়ালেটে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবে। এনবিআর ইতোমধ্যে সফলভাবে কয়েকটি রিয়েল-টাইম লেনদেন সম্পন্ন করেছে।
এই উদ্যোগের ফলে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর ব্যাংকে গিয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে না। সময় ও খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক হবে।
মূল সুবিধা:
সময় সাশ্রয়: ব্যাংকে গিয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রয়োজন নেই।
২৪/৭ লেনদেন: যেকোনো সময় কর ও ভ্যাট পরিশোধ করা যাবে।
খরচ ছাড়াই সেবা: কোনো অতিরিক্ত চার্জ নেই।
স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা: ডিজিটাল রেকর্ডের মাধ্যমে লেনদেন ট্র্যাক করা যাবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কর পরিশোধ প্রক্রিয়াকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করবে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো সময় ও খরচ সাশ্রয় করতে পারবে, পাশাপাশি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা হবে আরও স্বচ্ছ। এটি সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগকেও আরও এগিয়ে নেবে এবং করপোরেট খাতে ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়াবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কর ও ভ্যাট পরিশোধে নতুন ডিজিটাল সুবিধা চালু করেছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বিকাশের যৌথ উদ্যোগে এই সেবা চালু হওয়ায় বড় অঙ্কের করপোরেট লেনদেন এখন আরও সহজ, নিরাপদ ও রিয়েল-টাইমে সম্পন্ন হবে।
নতুন ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ব্যাংক হিসাব বা ডিসবার্সমেন্ট ওয়ালেট থেকে কোনো খরচ ছাড়াই বিকাশের বিশেষ মার্চেন্ট ওয়ালেটে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবে। এনবিআর ইতোমধ্যে সফলভাবে কয়েকটি রিয়েল-টাইম লেনদেন সম্পন্ন করেছে।
এই উদ্যোগের ফলে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর ব্যাংকে গিয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে না। সময় ও খরচ সাশ্রয়ের পাশাপাশি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক হবে।
মূল সুবিধা:
সময় সাশ্রয়: ব্যাংকে গিয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার প্রয়োজন নেই।
২৪/৭ লেনদেন: যেকোনো সময় কর ও ভ্যাট পরিশোধ করা যাবে।
খরচ ছাড়াই সেবা: কোনো অতিরিক্ত চার্জ নেই।
স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা: ডিজিটাল রেকর্ডের মাধ্যমে লেনদেন ট্র্যাক করা যাবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কর পরিশোধ প্রক্রিয়াকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করবে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো সময় ও খরচ সাশ্রয় করতে পারবে, পাশাপাশি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা হবে আরও স্বচ্ছ। এটি সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগকেও আরও এগিয়ে নেবে এবং করপোরেট খাতে ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়াবে।

আপনার মতামত লিখুন