আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার পলাতক আসামি গণেশকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা গণেশ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিলেন।
শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন লালদীঘীর জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭-এর একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতারকৃত গণেশ (১৯) চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার সেবক কলোনির বাসিন্দা শরিফ দাশের ছেলে।
২০২৪ সালের ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম আলিফ নির্মমভাবে খুন হন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোট ৩৯ জন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
মামলার তদন্তে এখন পর্যন্ত ২৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি ১৬ জন এখনও পলাতক রয়েছেন।
তদন্তে গণেশের হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র্যাব। গ্রেফতারের পর তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, আলিফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গণেশকে গ্রেফতারের মাধ্যমে মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার পলাতক আসামি গণেশকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা গণেশ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি ছিলেন।
শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন লালদীঘীর জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭-এর একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতারকৃত গণেশ (১৯) চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানার সেবক কলোনির বাসিন্দা শরিফ দাশের ছেলে।
২০২৪ সালের ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সাইফুল ইসলাম আলিফ নির্মমভাবে খুন হন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোট ৩৯ জন আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
মামলার তদন্তে এখন পর্যন্ত ২৩ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি ১৬ জন এখনও পলাতক রয়েছেন।
তদন্তে গণেশের হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র্যাব। গ্রেফতারের পর তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব জানিয়েছে, আলিফ হত্যাকাণ্ডে জড়িত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গণেশকে গ্রেফতারের মাধ্যমে মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন