ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শীতে পানির ঘাটতিতে কিডনির ক্ষতি, কী খাবেন?


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬

শীতে পানির ঘাটতিতে কিডনির ক্ষতি, কী খাবেন?

 শীতকালীন তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে কম পানি পান করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। কম পানি পানে কিডনি বেশি কাজ করতে বাধ্য হয়, ফলে মূত্র ঘনীভূত হয়ে কিডনি পাথর ও ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে। শীতকালে এই ঝুঁকি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে, কারণ ঠান্ডা আবহাওয়া ও শুষ্ক বাতাস একত্রে কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

চিকিৎসকরা জানান, শীতকালে হাইড্রেশন বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনে অন্তত ২–৩ লিটার পানি নেওয়া প্রয়োজন। গরম পানি, আদা-হালদি চা, তুলসী চা শরীরকে গরম রাখে এবং হাইড্রেটেড রাখে। এছাড়া স্যুপ, ব্রথ এবং পানি-সমৃদ্ধ ফল ও সবজি যেমন কমলা, আপেল, পোমেগ্রানেট, শসা ও লেটুস শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়ক। নারকেল জলও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করে এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, শীতে কিছু পানীয় ও খাবার সীমিত করা উচিত। অতিরিক্ত চা ও কফি শরীর থেকে পানি বের করে, অ্যালকোহল ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ায় এবং অতিরিক্ত লবণ ও প্রসেসড খাবার কিডনির ওপর চাপ বৃদ্ধি করতে পারে।

শীতকালে হাইড্রেশন বাড়ানোর জন্য সহজ কিছু নিয়ম রয়েছে। প্রতিদিন একটি পানি বোতল হাতে রাখা, খাবারের আগে বা পরে পানি পান করা, এবং স্যুপ ও পানি-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের পানি চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে।

তাদের জন্য যারা কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, নিজে নিজে পানি বা খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ ঠিক করা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাইড্রেশন বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সতর্কতা অবলম্বন করলে শীতে কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


শীতে পানির ঘাটতিতে কিডনির ক্ষতি, কী খাবেন?

প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

 শীতকালীন তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে কম পানি পান করছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। কম পানি পানে কিডনি বেশি কাজ করতে বাধ্য হয়, ফলে মূত্র ঘনীভূত হয়ে কিডনি পাথর ও ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে। শীতকালে এই ঝুঁকি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে, কারণ ঠান্ডা আবহাওয়া ও শুষ্ক বাতাস একত্রে কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

চিকিৎসকরা জানান, শীতকালে হাইড্রেশন বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দিনে অন্তত ২–৩ লিটার পানি নেওয়া প্রয়োজন। গরম পানি, আদা-হালদি চা, তুলসী চা শরীরকে গরম রাখে এবং হাইড্রেটেড রাখে। এছাড়া স্যুপ, ব্রথ এবং পানি-সমৃদ্ধ ফল ও সবজি যেমন কমলা, আপেল, পোমেগ্রানেট, শসা ও লেটুস শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়ক। নারকেল জলও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহ করে এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, শীতে কিছু পানীয় ও খাবার সীমিত করা উচিত। অতিরিক্ত চা ও কফি শরীর থেকে পানি বের করে, অ্যালকোহল ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বাড়ায় এবং অতিরিক্ত লবণ ও প্রসেসড খাবার কিডনির ওপর চাপ বৃদ্ধি করতে পারে।

শীতকালে হাইড্রেশন বাড়ানোর জন্য সহজ কিছু নিয়ম রয়েছে। প্রতিদিন একটি পানি বোতল হাতে রাখা, খাবারের আগে বা পরে পানি পান করা, এবং স্যুপ ও পানি-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের পানি চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে।

তাদের জন্য যারা কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন, নিজে নিজে পানি বা খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ ঠিক করা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাইড্রেশন বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সতর্কতা অবলম্বন করলে শীতে কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ