আজ ৮ জানুয়ারি ২০২৬ রাজধানীর তেজগাঁও ও কারওয়ান বাজার সংলগ্ন তেজতুরি বাজার এলাকায় বুধবার রাত ৮:২০ টার দিকে সংঘটিত গুলিকাণ্ডে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির নিহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মুছাব্বির এবং এক সহকর্মী অবু সুফিয়ান মাসুদ ঘটনাস্থলে হাঁটছিলেন, যখন দু’জন অজ্ঞাত ব্যক্তি মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ঘটনার সময় মুছাব্বির অন্তত দুইটি গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত হন। মাসুদও পেটের দিকে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তিনটি গুলির খোলস উদ্ধার করেছে।
ময়নাতদন্তে দেখা গেছে, মুছাব্বিরের শরীরে ডান পেট এবং বাহুর কাছে গুলির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চিকিৎসক ও পুলিশ জানিয়েছেন, গুলির আঘাত তার মৃত্যুর মূল কারণ। ময়নাতদন্তের পর তার মরদেহ দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে কারওয়ান বাজার ও আজিমপুর কবরস্থানে দাফনের জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে।
নিহত মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম তেজগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে অজ্ঞাতনামা চার–পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং সুষ্ঠু বিচার দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিএনপির নেতারা নয়াপল্টন এবং কারওয়ান বাজারে প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেন। দলের পক্ষ থেকে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
রাজনীতিতে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত মুছাব্বির পূর্বেও বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন এবং কারাগারেও ছিলেন। তার মৃত্যুর পর রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের গ্রেফতারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
আজ ৮ জানুয়ারি ২০২৬ রাজধানীর তেজগাঁও ও কারওয়ান বাজার সংলগ্ন তেজতুরি বাজার এলাকায় বুধবার রাত ৮:২০ টার দিকে সংঘটিত গুলিকাণ্ডে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির নিহত হয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মুছাব্বির এবং এক সহকর্মী অবু সুফিয়ান মাসুদ ঘটনাস্থলে হাঁটছিলেন, যখন দু’জন অজ্ঞাত ব্যক্তি মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ঘটনার সময় মুছাব্বির অন্তত দুইটি গুলিতে আঘাতপ্রাপ্ত হন। মাসুদও পেটের দিকে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তিনটি গুলির খোলস উদ্ধার করেছে।
ময়নাতদন্তে দেখা গেছে, মুছাব্বিরের শরীরে ডান পেট এবং বাহুর কাছে গুলির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চিকিৎসক ও পুলিশ জানিয়েছেন, গুলির আঘাত তার মৃত্যুর মূল কারণ। ময়নাতদন্তের পর তার মরদেহ দলীয় কার্যালয়ের সামনে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে কারওয়ান বাজার ও আজিমপুর কবরস্থানে দাফনের জন্য স্থানান্তর করা হয়েছে।
নিহত মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম তেজগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে অজ্ঞাতনামা চার–পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতার এবং সুষ্ঠু বিচার দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিএনপির নেতারা নয়াপল্টন এবং কারওয়ান বাজারে প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেন। দলের পক্ষ থেকে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
রাজনীতিতে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত মুছাব্বির পূর্বেও বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন এবং কারাগারেও ছিলেন। তার মৃত্যুর পর রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তদের গ্রেফতারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন