সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লিয়াকতগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে দশম শ্রেণির ছাত্র আরিফ টেস্ট পরীক্ষায় সাত বিষয়ে ফেল করার পর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে স্কুলের শিক্ষকদের ওপর চাপে বসে অসদাচরণ করেছেন। এ ঘটনায় স্কুলের একটি কক্ষ তালাবদ্ধ করে রাখা হয়।
স্কুল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে আরিফ স্কুলে এসে শিক্ষকদের জানিয়েছে, তাকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দিলে যারা এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছে, তাদেরকেও পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া যাবে না। তারপরই তিনি স্কুলের একটি কক্ষ তালাবদ্ধ করেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিলেন।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ জানান, “দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাত বিষয়ে ফেল করেছে, তাই তাকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। কিন্তু সে এসে অসদাচরণ করেছে এবং কক্ষ তালাবদ্ধ করেছে।”
আনুষ্ঠানিকভাবে আরিফের বাবা, লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজ বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। আমি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত, কিন্তু আমার ছেলে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নয়।”
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের পূর্ণ তথ্য নেই। খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লিয়াকতগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে দশম শ্রেণির ছাত্র আরিফ টেস্ট পরীক্ষায় সাত বিষয়ে ফেল করার পর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবিতে স্কুলের শিক্ষকদের ওপর চাপে বসে অসদাচরণ করেছেন। এ ঘটনায় স্কুলের একটি কক্ষ তালাবদ্ধ করে রাখা হয়।
স্কুল সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে আরিফ স্কুলে এসে শিক্ষকদের জানিয়েছে, তাকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দিলে যারা এক বা দুই বিষয়ে ফেল করেছে, তাদেরকেও পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া যাবে না। তারপরই তিনি স্কুলের একটি কক্ষ তালাবদ্ধ করেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিলেন।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ জানান, “দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাত বিষয়ে ফেল করেছে, তাই তাকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। কিন্তু সে এসে অসদাচরণ করেছে এবং কক্ষ তালাবদ্ধ করেছে।”
আনুষ্ঠানিকভাবে আরিফের বাবা, লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজ বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। আমি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত, কিন্তু আমার ছেলে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নয়।”
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “এ বিষয়ে আমাদের পূর্ণ তথ্য নেই। খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন