শুভবড়দিনকে সামনে রেখে রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা খ্রিষ্টানপল্লি বর্ণিল সাজে সেজেছে। পল্লির প্রতিটি ঘরবাড়ি রঙিন কাগজ, বাতি ও আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। বিশেষভাবে গির্জা প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় নান্দনিক আলো ঝলমল করছে, যা উৎসবের আনন্দ আরও বৃদ্ধি করেছে।
বড়দিন উপলক্ষে পল্লিতে বিভিন্ন আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নগর কীর্তন, উপহার বিনিময়, ক্রিসমাস ট্রি সাজানো, প্রার্থনা সভা ও ধর্মীয় সংগীতানুষ্ঠান। শিশুদের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ আনন্দ আয়োজন। সন্ধ্যার পর পুরো এলাকা আলোর খেলায় ভেসে ওঠে, যা উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
স্থানীয় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নেতারা জানান, যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন উপলক্ষে এই আয়োজন শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার অংশ। বড়দিন শুধু খ্রিষ্টানদের নয়, সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের জন্য আনন্দ ও ভালোবাসার উৎসব।
বড়দিনের মূল দিনে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে প্রতিবেশী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করে উৎসব উদযাপন করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
শুভবড়দিনকে সামনে রেখে রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা খ্রিষ্টানপল্লি বর্ণিল সাজে সেজেছে। পল্লির প্রতিটি ঘরবাড়ি রঙিন কাগজ, বাতি ও আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। বিশেষভাবে গির্জা প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় নান্দনিক আলো ঝলমল করছে, যা উৎসবের আনন্দ আরও বৃদ্ধি করেছে।
বড়দিন উপলক্ষে পল্লিতে বিভিন্ন আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নগর কীর্তন, উপহার বিনিময়, ক্রিসমাস ট্রি সাজানো, প্রার্থনা সভা ও ধর্মীয় সংগীতানুষ্ঠান। শিশুদের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ আনন্দ আয়োজন। সন্ধ্যার পর পুরো এলাকা আলোর খেলায় ভেসে ওঠে, যা উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
স্থানীয় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের নেতারা জানান, যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন উপলক্ষে এই আয়োজন শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার অংশ। বড়দিন শুধু খ্রিষ্টানদের নয়, সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের জন্য আনন্দ ও ভালোবাসার উৎসব।
বড়দিনের মূল দিনে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে প্রতিবেশী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করে উৎসব উদযাপন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন