শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর থেকে দিল্লি ও আশপাশের এলাকায় তীব্র বৃষ্টিপাত শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিমানবন্দর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। কোনো কোনো স্থানে যাত্রীদের জমে থাকা পানির মধ্য দিয়েই হেঁটে যেতে দেখা যায়। টাইমস অব ইন্ডিয়া বিমানবন্দর এলাকায় গোড়ালি পর্যন্ত পানি জমার দৃশ্যের কথা জানিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে দিল্লিগামী অন্তত নয়টি ফ্লাইট অন্য বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এসব ফ্লাইটের কয়েকটি জয়পুর, লক্ষ্ণৌ ও আহমেদাবাদে পাঠানো হয়েছে।
শুধু ফ্লাইট ঘুরিয়ে দেওয়াই নয়, বিপুলসংখ্যক ফ্লাইটের সময়সূচিও ব্যাহত হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য উদ্ধৃত করে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শুক্রবার দিল্লি বিমানবন্দরে ৪০০টির বেশি ফ্লাইট বিলম্বের মুখে পড়ে।
দিল্লি বিমানবন্দরের পাশাপাশি রাজধানীর কনট প্লেস, আকবর রোড, লাজপত নগরসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক সড়কে যানবাহনকে জমে থাকা পানির মধ্য দিয়ে ধীরগতিতে চলতে দেখা যায়। এতে বিভিন্ন এলাকায় তীব্র যানজটও তৈরি হয়।
পরিস্থিতির অবনতির কারণে শুক্রবার দিল্লির জন্য রেড অ্যালার্ট জারি করে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ—আইএমডি। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও দমকা বাতাসের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। শনিবারের জন্যও দিল্লিতে ইয়েলো অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগের হিসাবে শুক্রবার বিকেলে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। পালাম এলাকায় ৭৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হওয়ার তথ্যও এসেছে।
ভারতীয় আবহাওয়াবিদদের মতে, মধ্য ও উত্তর মধ্যপ্রদেশের ওপর থাকা নিম্নচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দিল্লি ও আশপাশের এলাকায় এই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী কিছু সময় বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের আশঙ্কা থাকলেও পরবর্তী কয়েক দিনে পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হতে পারে।
এদিকে সামনে ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে প্রস্তুতি চলার মধ্যেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে ব্যাপক জলাবদ্ধতার ছবি সামনে এসেছে। বিমানবন্দর থেকে শহরের কেন্দ্র পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানের জলাবদ্ধতা নতুন করে দিল্লির পানি নিষ্কাশন ও নগর অবকাঠামো নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রতিকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকায় দিল্লি বিমানবন্দর ব্যবহারকারী যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইনের কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর থেকে দিল্লি ও আশপাশের এলাকায় তীব্র বৃষ্টিপাত শুরু হয়। কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিমানবন্দর এলাকার বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। কোনো কোনো স্থানে যাত্রীদের জমে থাকা পানির মধ্য দিয়েই হেঁটে যেতে দেখা যায়। টাইমস অব ইন্ডিয়া বিমানবন্দর এলাকায় গোড়ালি পর্যন্ত পানি জমার দৃশ্যের কথা জানিয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে দিল্লিগামী অন্তত নয়টি ফ্লাইট অন্য বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এসব ফ্লাইটের কয়েকটি জয়পুর, লক্ষ্ণৌ ও আহমেদাবাদে পাঠানো হয়েছে।
শুধু ফ্লাইট ঘুরিয়ে দেওয়াই নয়, বিপুলসংখ্যক ফ্লাইটের সময়সূচিও ব্যাহত হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য উদ্ধৃত করে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শুক্রবার দিল্লি বিমানবন্দরে ৪০০টির বেশি ফ্লাইট বিলম্বের মুখে পড়ে।
দিল্লি বিমানবন্দরের পাশাপাশি রাজধানীর কনট প্লেস, আকবর রোড, লাজপত নগরসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক সড়কে যানবাহনকে জমে থাকা পানির মধ্য দিয়ে ধীরগতিতে চলতে দেখা যায়। এতে বিভিন্ন এলাকায় তীব্র যানজটও তৈরি হয়।
পরিস্থিতির অবনতির কারণে শুক্রবার দিল্লির জন্য রেড অ্যালার্ট জারি করে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ—আইএমডি। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও দমকা বাতাসের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। শনিবারের জন্যও দিল্লিতে ইয়েলো অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া বিভাগের হিসাবে শুক্রবার বিকেলে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় স্বল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। পালাম এলাকায় ৭৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হওয়ার তথ্যও এসেছে।
ভারতীয় আবহাওয়াবিদদের মতে, মধ্য ও উত্তর মধ্যপ্রদেশের ওপর থাকা নিম্নচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দিল্লি ও আশপাশের এলাকায় এই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী কিছু সময় বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের আশঙ্কা থাকলেও পরবর্তী কয়েক দিনে পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হতে পারে।
এদিকে সামনে ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে প্রস্তুতি চলার মধ্যেই রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে ব্যাপক জলাবদ্ধতার ছবি সামনে এসেছে। বিমানবন্দর থেকে শহরের কেন্দ্র পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানের জলাবদ্ধতা নতুন করে দিল্লির পানি নিষ্কাশন ও নগর অবকাঠামো নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
প্রতিকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকায় দিল্লি বিমানবন্দর ব্যবহারকারী যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইনের কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন