তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিনে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ও জিরো পয়েন্ট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সোমবার সকালে তিনি স্ত্রী ডিন ডাও এবং মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সীমান্ত এলাকা ও স্থলবন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। সফরসূচির অংশ হিসেবে রাষ্ট্রদূত প্রথমে তেঁতুলিয়ার ঐতিহাসিক মহানন্দা নদী এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে গিয়ে বন্দরের অবকাঠামো, পণ্য পরিবহন ও বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্ট পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় সীমান্তবাণিজ্য, যোগাযোগ, অবকাঠামো ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা নেন। বাংলাবান্ধা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। ভারতের পাশাপাশি নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রদূতের সীমান্ত পরিদর্শন উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক সংযোগের বাস্তব চিত্র বোঝার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পঞ্চগড় সফরে রাষ্ট্রদূত জেলা হাসপাতাল ও পঞ্চগড় রকস মিউজিয়ামও পরিদর্শন করেন। জেলা হাসপাতালে তিনি স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজ নেন। পরে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী এলাকায় সমতলের চা-বাগান ও চা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চা পাতা সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্পর্কে জানতে চান। ৩০ আগস্ট শুরু হওয়া তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে নীলফামারী, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর রয়েছে। সফরের প্রথম দিনে তিনি নীলফামারী ও লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন করেন। সেখানে সেচব্যবস্থা, তিস্তার পানি বণ্টন ও বন্যা ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সফরের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি, সীমান্তবাণিজ্য, কৃষি, চা শিল্প ও স্থানীয় জনজীবন সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরের দ্বিতীয় দিনে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ও জিরো পয়েন্ট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। সোমবার সকালে তিনি স্ত্রী ডিন ডাও এবং মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সীমান্ত এলাকা ও স্থলবন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। সফরসূচির অংশ হিসেবে রাষ্ট্রদূত প্রথমে তেঁতুলিয়ার ঐতিহাসিক মহানন্দা নদী এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে গিয়ে বন্দরের অবকাঠামো, পণ্য পরিবহন ও বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এরপর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের জিরো পয়েন্ট পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় সীমান্তবাণিজ্য, যোগাযোগ, অবকাঠামো ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা নেন। বাংলাবান্ধা বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। ভারতের পাশাপাশি নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাণিজ্য ও আঞ্চলিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রদূতের সীমান্ত পরিদর্শন উত্তরাঞ্চলের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ও আঞ্চলিক সংযোগের বাস্তব চিত্র বোঝার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পঞ্চগড় সফরে রাষ্ট্রদূত জেলা হাসপাতাল ও পঞ্চগড় রকস মিউজিয়ামও পরিদর্শন করেন। জেলা হাসপাতালে তিনি স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজ নেন। পরে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী এলাকায় সমতলের চা-বাগান ও চা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চা পাতা সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্পর্কে জানতে চান। ৩০ আগস্ট শুরু হওয়া তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে নীলফামারী, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর রয়েছে। সফরের প্রথম দিনে তিনি নীলফামারী ও লালমনিরহাটের তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন করেন। সেখানে সেচব্যবস্থা, তিস্তার পানি বণ্টন ও বন্যা ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সফরের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি, সীমান্তবাণিজ্য, কৃষি, চা শিল্প ও স্থানীয় জনজীবন সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন