মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। বৈঠকে মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টিও উঠে আসে। দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের একজন সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হওয়ায় স্থানীয় সরকার ও নির্বাচন নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়েছে।
মীর শাহে আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচন শেষ করতে চায় সরকার। নির্বাচনগুলো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করাকে সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্থানীয় সরকারের যে পাঁচ স্তরে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে সেগুলো হলো—সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ। এসব নির্বাচন আয়োজনের জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এর আগেও মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করা হবে না। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা রয়েছে—নির্বাচনগুলো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে হবে। এ জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ও দলীয় প্রতীকের বিধান তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ প্রতীকে নির্দলীয়ভাবে এসব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও কোন স্তরের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, সে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নেবে। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি শেষ হলে অর্থ বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন আলোচনা করে নির্বাচনের সময়সূচি ও পর্যায়ক্রম নির্ধারণ করবে।
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের প্রতিনিধিত্ব এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। বৈঠকে মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়টিও উঠে আসে। দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের একজন সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হওয়ায় স্থানীয় সরকার ও নির্বাচন নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হয়েছে।
মীর শাহে আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচন শেষ করতে চায় সরকার। নির্বাচনগুলো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করাকে সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি।
স্থানীয় সরকারের যে পাঁচ স্তরে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে সেগুলো হলো—সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ। এসব নির্বাচন আয়োজনের জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এর আগেও মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করা হবে না। প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনা রয়েছে—নির্বাচনগুলো অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে হবে। এ জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ও দলীয় প্রতীকের বিধান তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ প্রতীকে নির্দলীয়ভাবে এসব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও কোন স্তরের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, সে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নেবে। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি শেষ হলে অর্থ বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন আলোচনা করে নির্বাচনের সময়সূচি ও পর্যায়ক্রম নির্ধারণ করবে।
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের প্রতিনিধিত্ব এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হবে।

আপনার মতামত লিখুন