জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদ্যুতের বর্তমান চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় সব এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, সেটিই সারাদেশে পুনর্বণ্টন করে লোডশেডিংয়ের চাপ সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলোকে অঞ্চলভিত্তিক চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে লোড ব্যবস্থাপনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কোনো এলাকায় অতিরিক্ত লোডশেডিং এবং অন্য এলাকায় তুলনামূলক বেশি সরবরাহ—এ ধরনের বৈষম্য কমানোর চেষ্টা করা হবে।
চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিদ্যুৎ উৎপাদনেও পড়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারছে না। ফলে জাতীয় গ্রিডে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সরকার দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো কাজ করছে। সংকট কাটিয়ে উঠতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। কোথাও কোথাও দিনে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার অভিযোগ করছেন গ্রাহকেরা। শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতিও উৎপাদন কার্যক্রমে চাপ তৈরি করছে।
এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ পুনর্বণ্টনের মাধ্যমে সারাদেশে লোডশেডিংয়ের সময় ও চাপ যতটা সম্ভব সমন্বিত রাখার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন জাহেদ উর রহমান। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাহেদ উর রহমান বলেন, বিদ্যুতের বর্তমান চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় সব এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, সেটিই সারাদেশে পুনর্বণ্টন করে লোডশেডিংয়ের চাপ সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলোকে অঞ্চলভিত্তিক চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে লোড ব্যবস্থাপনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে কোনো এলাকায় অতিরিক্ত লোডশেডিং এবং অন্য এলাকায় তুলনামূলক বেশি সরবরাহ—এ ধরনের বৈষম্য কমানোর চেষ্টা করা হবে।
চলমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিদ্যুৎ উৎপাদনেও পড়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারছে না। ফলে জাতীয় গ্রিডে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সরকার দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো কাজ করছে। সংকট কাটিয়ে উঠতে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে। কোথাও কোথাও দিনে একাধিকবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার অভিযোগ করছেন গ্রাহকেরা। শিল্পকারখানায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতিও উৎপাদন কার্যক্রমে চাপ তৈরি করছে।
এ পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ পুনর্বণ্টনের মাধ্যমে সারাদেশে লোডশেডিংয়ের সময় ও চাপ যতটা সম্ভব সমন্বিত রাখার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন জাহেদ উর রহমান। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন