জলকপাটগুলো খুলে দেওয়ার ফলে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কাপ্তাই হ্রদ থেকে কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি ছাড়ার সময় হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল প্রায় ১০৫ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)।
সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই হ্রদে দ্রুত পানি বাড়ছে। এরই মধ্যে রাঙামাটির বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। হ্রদের পানি বেড়ে রাঙামাটির পর্যটন ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন ডুবে যাওয়ায় সেখানে পর্যটকদের চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
হ্রদের পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাঁধের স্পিলওয়ে খুলে পানি নিষ্কাশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পানির প্রবাহ ও হ্রদের উচ্চতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী জলকপাট খোলা রাখার পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গত ১৮ জুলাই কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় বাঁধের ১৬টি জলকপাট ছয় ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছিল। তখনও প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হয়। পরে পানির স্তর নিরাপদ পর্যায়ে নেমে এলে টানা ১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর জলকপাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি এবং বাঁধ থেকে পানি ছাড়ার কারণে কর্ণফুলী নদীর ভাটির অংশে পানির প্রবাহ বাড়তে পারে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
জলকপাটগুলো খুলে দেওয়ার ফলে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কাপ্তাই হ্রদ থেকে কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি ছাড়ার সময় হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল প্রায় ১০৫ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)।
সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই হ্রদে দ্রুত পানি বাড়ছে। এরই মধ্যে রাঙামাটির বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। হ্রদের পানি বেড়ে রাঙামাটির পর্যটন ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন ডুবে যাওয়ায় সেখানে পর্যটকদের চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
হ্রদের পানির চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাঁধের স্পিলওয়ে খুলে পানি নিষ্কাশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। পানির প্রবাহ ও হ্রদের উচ্চতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী জলকপাট খোলা রাখার পরিমাণ বাড়ানো বা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে গত ১৮ জুলাই কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় বাঁধের ১৬টি জলকপাট ছয় ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়েছিল। তখনও প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন করা হয়। পরে পানির স্তর নিরাপদ পর্যায়ে নেমে এলে টানা ১০৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট পর জলকপাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধি এবং বাঁধ থেকে পানি ছাড়ার কারণে কর্ণফুলী নদীর ভাটির অংশে পানির প্রবাহ বাড়তে পারে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন