রুহুল কবির রিজভী বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির একজন পরিচিত ও দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামী নেতা। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। দলীয় কর্মসূচি, সংবাদ সম্মেলন, বিবৃতি ও রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে বিএনপির অবস্থান জনসম্মুখে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে।
বিএনপির রাজনীতিতে রিজভীর উত্থান মূলত ছাত্ররাজনীতি ও সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন সময় সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন। হরতাল, অবরোধ, বিক্ষোভ ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে তাঁকে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
২০১৩ সালের রাজনৈতিক সহিংসতার সময় রিজভী পুলিশের গুলিতে আহত হন—এ ঘটনাটি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের আলোচিত অধ্যায়গুলোর একটি। আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় থাকার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মামলা হয়েছে এবং কারাবরণও করতে হয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা তাঁকে বিএনপির আন্দোলনভিত্তিক রাজনীতির একজন পরিচিত মুখে পরিণত করেছে।
দলের সাংগঠনিক ও প্রচার কার্যক্রমেও রিজভীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়কেন্দ্রিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তিনি নিয়মিত সংবাদমাধ্যমের সামনে দলের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। ফলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি শুধু একজন সাংগঠনিক নেতা নন, বরং দীর্ঘদিনের আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবেও পরিচিত।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের পদে রিজভীর মনোনয়ন তাই দলটির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭(খ)৬ ধারা অনুযায়ী তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং মনোনয়ন অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে বলে দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন দায়িত্বে রিজভীর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও শক্তিশালী করা, নেতা-কর্মীদের ঐক্য ধরে রাখা এবং বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কার্যকরভাবে সমন্বয় করা। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা, গ্রেপ্তার ও গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁকে মাঠের রাজনীতির বাস্তবতা সম্পর্কে গভীর অভিজ্ঞতা দিয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন, এমন প্রত্যাশা দলটির নেতা-কর্মীদের।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
রুহুল কবির রিজভী বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপির একজন পরিচিত ও দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামী নেতা। দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। দলীয় কর্মসূচি, সংবাদ সম্মেলন, বিবৃতি ও রাজনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে বিএনপির অবস্থান জনসম্মুখে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে।
বিএনপির রাজনীতিতে রিজভীর উত্থান মূলত ছাত্ররাজনীতি ও সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিভিন্ন সময় সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন। হরতাল, অবরোধ, বিক্ষোভ ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে তাঁকে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
২০১৩ সালের রাজনৈতিক সহিংসতার সময় রিজভী পুলিশের গুলিতে আহত হন—এ ঘটনাটি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের আলোচিত অধ্যায়গুলোর একটি। আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় থাকার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মামলা হয়েছে এবং কারাবরণও করতে হয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা তাঁকে বিএনপির আন্দোলনভিত্তিক রাজনীতির একজন পরিচিত মুখে পরিণত করেছে।
দলের সাংগঠনিক ও প্রচার কার্যক্রমেও রিজভীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়কেন্দ্রিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তিনি নিয়মিত সংবাদমাধ্যমের সামনে দলের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। ফলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের কাছে তিনি শুধু একজন সাংগঠনিক নেতা নন, বরং দীর্ঘদিনের আন্দোলনের মুখপাত্র হিসেবেও পরিচিত।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের পদে রিজভীর মনোনয়ন তাই দলটির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭(খ)৬ ধারা অনুযায়ী তাঁকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং মনোনয়ন অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে বলে দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
নতুন দায়িত্বে রিজভীর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে দলীয় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও শক্তিশালী করা, নেতা-কর্মীদের ঐক্য ধরে রাখা এবং বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কার্যকরভাবে সমন্বয় করা। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা, গ্রেপ্তার ও গুলিবিদ্ধ হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁকে মাঠের রাজনীতির বাস্তবতা সম্পর্কে গভীর অভিজ্ঞতা দিয়েছে। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে তিনি বিএনপির রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারেন, এমন প্রত্যাশা দলটির নেতা-কর্মীদের।

আপনার মতামত লিখুন