ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

গ্যাস লিকেজের আগুনে একই পরিবারের তিনজনই মারা গেলেন


মোঃ তোফাজ্জল হোসেন শান্ত
মোঃ তোফাজ্জল হোসেন শান্ত
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬

গ্যাস লিকেজের আগুনে একই পরিবারের তিনজনই মারা গেলেন
শিশুর পর মা, শেষে বাবার মৃত্যু: গ্যাসের আগুনে শেষ হলো একটি পরিবার

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাসের লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ একই পরিবারের তিন সদস্যই মারা গেছেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোরে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মাইদুল ইসলাম (২৮)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান।

এর আগে সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল পৌনে ৭টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাইদুলের স্ত্রী বিউটি আক্তার (২৪)। তারও আগে শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তাঁদের আট বছর বয়সী ছেলে মারুফ।

এ নিয়ে গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) বন্দরের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ একই পরিবারের তিন সদস্যেরই মৃত্যু হলো।

যেভাবে ঘটে অগ্নিকাণ্ড

গত শুক্রবার সকালে বন্দরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকায় একটি টিনশেড ভাড়া বাসায় আগুনের ঘটনা ঘটে। ওই বাসায় স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে বসবাস করছিলেন মাইদুল ইসলাম। তাঁর গ্রামের বাড়ি নাটোরে। পেশায় তিনি ছিলেন রাজমিস্ত্রি।

অগ্নিকাণ্ডে মাইদুল, তাঁর স্ত্রী বিউটি ও ছেলে মারুফ গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তিনজনকেই রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, আগুনে মারুফের শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ, বিউটির ৮০ শতাংশ এবং মাইদুলের ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, রান্নাঘরের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘরের ভেতরে গ্যাস জমে গিয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে আরও বিস্তারিত অনুসন্ধান প্রয়োজন।

একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


গ্যাস লিকেজের আগুনে একই পরিবারের তিনজনই মারা গেলেন

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image


নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাসের লিকেজ থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ একই পরিবারের তিন সদস্যই মারা গেছেন। সর্বশেষ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোরে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি মাইদুল ইসলাম (২৮)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান।

এর আগে সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল পৌনে ৭টার দিকে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মাইদুলের স্ত্রী বিউটি আক্তার (২৪)। তারও আগে শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় তাঁদের আট বছর বয়সী ছেলে মারুফ।

এ নিয়ে গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) বন্দরের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ একই পরিবারের তিন সদস্যেরই মৃত্যু হলো।

যেভাবে ঘটে অগ্নিকাণ্ড

গত শুক্রবার সকালে বন্দরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকায় একটি টিনশেড ভাড়া বাসায় আগুনের ঘটনা ঘটে। ওই বাসায় স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে বসবাস করছিলেন মাইদুল ইসলাম। তাঁর গ্রামের বাড়ি নাটোরে। পেশায় তিনি ছিলেন রাজমিস্ত্রি।

অগ্নিকাণ্ডে মাইদুল, তাঁর স্ত্রী বিউটি ও ছেলে মারুফ গুরুতর দগ্ধ হন। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তিনজনকেই রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, আগুনে মারুফের শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ, বিউটির ৮০ শতাংশ এবং মাইদুলের ৮৫ শতাংশ পুড়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, রান্নাঘরের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘরের ভেতরে গ্যাস জমে গিয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে আরও বিস্তারিত অনুসন্ধান প্রয়োজন।

একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ