বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে সমাধিস্থলে হাজির হয়েছিলেন লিওনেল মেসি ও তার পরিবারের সদস্যরা। স্বজনদের নিয়ে শোকের এই একান্ত মুহূর্তেও অবশ্য তাদের ব্যক্তিগত পরিসর পুরোপুরি অক্ষুণ্ন থাকেনি। সমাধিস্থলের ওপর দিয়ে উড়ছিল সংবাদমাধ্যমের একাধিক ড্রোন। বিষয়টি সামনে আসার পর শুরু হয় সমালোচনা। পরে সেখানে ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ।
আর্জেন্টিনার রোজারিওর এল প্রাদো সমাধিস্থলে স্থানীয় সময় রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে হোর্হে মেসির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এ সময় মেসি, তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো এবং সন্তানরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লা কাপিতালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেষকৃত্য চলাকালে কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলের ড্রোন সমাধিস্থলের ওপর দিয়ে উড়তে দেখা যায়। টিএন, লা নাসিওন প্লাস ও সি৫এনের মতো সংবাদমাধ্যমের ড্রোন সেখান থেকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছিল।
মেসি ও তার পরিবারের সদস্যরা যখন বাবাকে শেষ বিদায় জানাচ্ছিলেন, তখন আকাশ থেকে তাদের সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়। ব্যক্তিগত শোকের সময় সংবাদমাধ্যমের এমন উপস্থিতি সাংবাদিকতার সীমা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
ঘটনার পর এল প্রাদো সমাধিস্থলে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। ড্রোন ওড়ানো বন্ধ করার পাশাপাশি সমাধিস্থলে প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত করে শুধু অনুমোদিত ব্যক্তি ও যানবাহনকে সেখানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়।
গত শনিবার (৮ আগস্ট) ৬৮ বছর বয়সে মারা যান হোর্হে মেসি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে আর্জেন্টিনায় ফিরে আসেন মেসি। পরিবারের সদস্যরাও তার সঙ্গে ছিলেন।
মেসির বাবাকে শেষ বিদায় জানানোর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সমাধিস্থলের বাইরে ভিড় করেন তার অসংখ্য ভক্ত। কেউ ফুল নিয়ে আসেন, কেউ আবার মেসির প্রতি সমবেদনা জানিয়ে হাতে ধরে রাখেন বার্তা—‘শক্ত থাকো, লিও।’
হোর্হে মেসি শুধু মেসির বাবা ছিলেন না, তার ফুটবল ক্যারিয়ার গড়ে ওঠার পেছনেও ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ছোটবেলা থেকেই ছেলের প্রতিভা ও ক্যারিয়ার নিয়ে পাশে ছিলেন তিনি। মেসির বয়স যখন মাত্র ১৩ বছর, তখন বার্সেলোনায় যোগ দিতে স্পেনে যাওয়ার সময়ও ছেলের পাশে ছিলেন হোর্হে। পরবর্তী সময়ে মেসির ক্যারিয়ারের নানা বিষয়ও দেখভাল করেছেন তিনি।
তাই বাবার শেষ বিদায়ের মুহূর্তটি মেসি ও তার পরিবারের জন্য ছিল গভীর আবেগের। সেই ব্যক্তিগত শোকের সময় ড্রোনে ছবি ও ভিডিও ধারণের ঘটনায় আর্জেন্টিনায় সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সীমা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে সমাধিস্থলে হাজির হয়েছিলেন লিওনেল মেসি ও তার পরিবারের সদস্যরা। স্বজনদের নিয়ে শোকের এই একান্ত মুহূর্তেও অবশ্য তাদের ব্যক্তিগত পরিসর পুরোপুরি অক্ষুণ্ন থাকেনি। সমাধিস্থলের ওপর দিয়ে উড়ছিল সংবাদমাধ্যমের একাধিক ড্রোন। বিষয়টি সামনে আসার পর শুরু হয় সমালোচনা। পরে সেখানে ড্রোন ওড়ানো নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ।
আর্জেন্টিনার রোজারিওর এল প্রাদো সমাধিস্থলে স্থানীয় সময় রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে হোর্হে মেসির শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। এ সময় মেসি, তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো এবং সন্তানরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম লা কাপিতালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেষকৃত্য চলাকালে কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলের ড্রোন সমাধিস্থলের ওপর দিয়ে উড়তে দেখা যায়। টিএন, লা নাসিওন প্লাস ও সি৫এনের মতো সংবাদমাধ্যমের ড্রোন সেখান থেকে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছিল।
মেসি ও তার পরিবারের সদস্যরা যখন বাবাকে শেষ বিদায় জানাচ্ছিলেন, তখন আকাশ থেকে তাদের সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়। ব্যক্তিগত শোকের সময় সংবাদমাধ্যমের এমন উপস্থিতি সাংবাদিকতার সীমা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
ঘটনার পর এল প্রাদো সমাধিস্থলে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। ড্রোন ওড়ানো বন্ধ করার পাশাপাশি সমাধিস্থলে প্রবেশেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত করে শুধু অনুমোদিত ব্যক্তি ও যানবাহনকে সেখানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়।
গত শনিবার (৮ আগস্ট) ৬৮ বছর বয়সে মারা যান হোর্হে মেসি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে আর্জেন্টিনায় ফিরে আসেন মেসি। পরিবারের সদস্যরাও তার সঙ্গে ছিলেন।
মেসির বাবাকে শেষ বিদায় জানানোর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সমাধিস্থলের বাইরে ভিড় করেন তার অসংখ্য ভক্ত। কেউ ফুল নিয়ে আসেন, কেউ আবার মেসির প্রতি সমবেদনা জানিয়ে হাতে ধরে রাখেন বার্তা—‘শক্ত থাকো, লিও।’
হোর্হে মেসি শুধু মেসির বাবা ছিলেন না, তার ফুটবল ক্যারিয়ার গড়ে ওঠার পেছনেও ছিল তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ছোটবেলা থেকেই ছেলের প্রতিভা ও ক্যারিয়ার নিয়ে পাশে ছিলেন তিনি। মেসির বয়স যখন মাত্র ১৩ বছর, তখন বার্সেলোনায় যোগ দিতে স্পেনে যাওয়ার সময়ও ছেলের পাশে ছিলেন হোর্হে। পরবর্তী সময়ে মেসির ক্যারিয়ারের নানা বিষয়ও দেখভাল করেছেন তিনি।
তাই বাবার শেষ বিদায়ের মুহূর্তটি মেসি ও তার পরিবারের জন্য ছিল গভীর আবেগের। সেই ব্যক্তিগত শোকের সময় ড্রোনে ছবি ও ভিডিও ধারণের ঘটনায় আর্জেন্টিনায় সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সীমা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

আপনার মতামত লিখুন