জাপানের কুমামোটো অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) স্থানীয় সরকার নিহতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে।
চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ জুলাই স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে জাপানের কিউশু দ্বীপে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।
শক্তিশালী এ ভূমিকম্পে কুমামোটোসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। তীব্র গরমের মধ্যে এসব সেবা ব্যাহত হওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে থাকা মানুষজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জাপানি সংবাদমাধ্যম ফুজি নিউজ নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুমামোটো প্রিফেকচারের উকি শহরের প্রায় ১০ হাজার পরিবার এখনো সুপেয় পানির সংকটে রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে খাবার পানি সরবরাহের জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন দুর্গত বাসিন্দারা।
প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, শনিবার থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বিপুল পরিমাণ সুপেয় পানি ও অন্যান্য জরুরি সামগ্রী পৌঁছানো শুরু হবে। দুর্গতদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
জাপানের কুমামোটো অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) স্থানীয় সরকার নিহতের এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে।
চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ জুলাই স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে জাপানের কিউশু দ্বীপে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে।
শক্তিশালী এ ভূমিকম্পে কুমামোটোসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা। তীব্র গরমের মধ্যে এসব সেবা ব্যাহত হওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে থাকা মানুষজনকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জাপানি সংবাদমাধ্যম ফুজি নিউজ নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুমামোটো প্রিফেকচারের উকি শহরের প্রায় ১০ হাজার পরিবার এখনো সুপেয় পানির সংকটে রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে খাবার পানি সরবরাহের জন্য প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন দুর্গত বাসিন্দারা।
প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, শনিবার থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বিপুল পরিমাণ সুপেয় পানি ও অন্যান্য জরুরি সামগ্রী পৌঁছানো শুরু হবে। দুর্গতদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন