মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলান অঙ্গরাজ্যের পোর্ট ডিকসন জেলার তামান লিঙ্গি এলাকায় সহকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ। নেগেরি সেম্বিলান পুলিশের প্রধান দাতুক আলজাফনি আহমাদ জানান, সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটের দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে একটি বাড়িতে কয়েকজন বাংলাদেশির মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে লিঙ্গি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে অভিযান চালিয়ে ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের ধারাবাহিকতায় পরে লিঙ্গির সুয়া মাঙ্গিস এস্টেট এলাকা থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এতে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় তিনজনে। পুলিশ জানায়, নিহত তিনজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আহত আরেক বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে রেমবাউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত, আহত ও আটক ব্যক্তি একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন এবং একই বাসায় একসঙ্গে বসবাস করতেন। পুলিশের ধারণা, সংঘর্ষের ঘটনাটি একাধিক স্থানে ঘটেছে। কী কারণে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত এবং পুরো ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। দাতুক আলজাফনি আহমাদ বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড পাওয়া যায়নি। তাকে রিমান্ডের আবেদন জানাতে মঙ্গলবার পোর্ট ডিকসন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে। তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ার দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় (হত্যা) মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এখনো হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য বা সংঘর্ষের কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলান অঙ্গরাজ্যের পোর্ট ডিকসন জেলার তামান লিঙ্গি এলাকায় সহকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তিন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ। নেগেরি সেম্বিলান পুলিশের প্রধান দাতুক আলজাফনি আহমাদ জানান, সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটের দিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে একটি বাড়িতে কয়েকজন বাংলাদেশির মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে লিঙ্গি থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে অভিযান চালিয়ে ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের ধারাবাহিকতায় পরে লিঙ্গির সুয়া মাঙ্গিস এস্টেট এলাকা থেকে আরও দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এতে নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় তিনজনে। পুলিশ জানায়, নিহত তিনজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আহত আরেক বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে রেমবাউ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত, আহত ও আটক ব্যক্তি একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন এবং একই বাসায় একসঙ্গে বসবাস করতেন। পুলিশের ধারণা, সংঘর্ষের ঘটনাটি একাধিক স্থানে ঘটেছে। কী কারণে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত এবং পুরো ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। দাতুক আলজাফনি আহমাদ বলেন, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড পাওয়া যায়নি। তাকে রিমান্ডের আবেদন জানাতে মঙ্গলবার পোর্ট ডিকসন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হবে। তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ার দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় (হত্যা) মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে এখনো হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য বা সংঘর্ষের কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন