দেশজুড়ে আবারও সক্রিয় হতে যাচ্ছে মৌসুমি বৃষ্টিপাত। ৩ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৮ আগস্ট পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা পাঁচ দিনের একটি আংশিক বৃষ্টি বলয় সক্রিয় থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বেসরকারি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।
সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ সময়ে দেশের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ এলাকায় কমবেশি উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে এটি আংশিক বৃষ্টি বলয় হওয়ায় সব অঞ্চলে সমান বৃষ্টি হবে না। কোথাও কোথাও স্বল্প সময়ের মধ্যে অতিভারি বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
বিডব্লিউওটির তথ্য অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকতে পারে। অন্যদিকে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুরুতে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকবে। এরপর ৪ আগস্ট রাজশাহী বিভাগে এর প্রভাব বাড়বে এবং ৫ ও ৬ আগস্ট দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই দুই দিনই সারা দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময় উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের নিচু ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা বা স্বল্পমেয়াদি বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে এসব অঞ্চলে রোদের দেখা কম মিলবে এবং ৫ ও ৬ আগস্ট দেশের অধিকাংশ এলাকায় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। তবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণাঞ্চলে মাঝেমধ্যে সূর্যের দেখা মিলতে পারে।
বিভাগভিত্তিক সম্ভাব্য গড় বৃষ্টিপাতের মধ্যে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২২০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২০০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ থেকে ২২০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।
অন্যদিকে খুলনা বিভাগে ১৪০ থেকে ১৫০ মিলিমিটার, ঢাকা বিভাগে ১০০ থেকে ১২০ মিলিমিটার এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ৮০ থেকে ১২০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব পরিসংখ্যান বিভাগভিত্তিক গড় হিসাব। জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে বৃষ্টির পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে।
সমুদ্র পরিস্থিতি নিয়েও সতর্ক করেছে বিডব্লিউওটি। যদিও এ সময়ে বড় ধরনের কোনো নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা কম, তবুও গভীর মেঘমালার কারণে হঠাৎ দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সাগর ও উপকূলীয় এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
এছাড়া বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টি বলয়ের সময়, বিস্তৃতি ও তীব্রতায় কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
দেশজুড়ে আবারও সক্রিয় হতে যাচ্ছে মৌসুমি বৃষ্টিপাত। ৩ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৮ আগস্ট পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা পাঁচ দিনের একটি আংশিক বৃষ্টি বলয় সক্রিয় থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বেসরকারি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।
সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ সময়ে দেশের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ এলাকায় কমবেশি উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে এটি আংশিক বৃষ্টি বলয় হওয়ায় সব অঞ্চলে সমান বৃষ্টি হবে না। কোথাও কোথাও স্বল্প সময়ের মধ্যে অতিভারি বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
বিডব্লিউওটির তথ্য অনুযায়ী, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টি সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকতে পারে। অন্যদিকে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুরুতে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকবে। এরপর ৪ আগস্ট রাজশাহী বিভাগে এর প্রভাব বাড়বে এবং ৫ ও ৬ আগস্ট দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এই দুই দিনই সারা দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
এ সময় উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের নিচু ও বন্যাপ্রবণ এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা বা স্বল্পমেয়াদি বন্যার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে এসব অঞ্চলে রোদের দেখা কম মিলবে এবং ৫ ও ৬ আগস্ট দেশের অধিকাংশ এলাকায় আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। তবে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দক্ষিণাঞ্চলে মাঝেমধ্যে সূর্যের দেখা মিলতে পারে।
বিভাগভিত্তিক সম্ভাব্য গড় বৃষ্টিপাতের মধ্যে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২২০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে ২০০ থেকে ২৫০ মিলিমিটার, রাজশাহী বিভাগে ১৭০ থেকে ২২০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে।
অন্যদিকে খুলনা বিভাগে ১৪০ থেকে ১৫০ মিলিমিটার, ঢাকা বিভাগে ১০০ থেকে ১২০ মিলিমিটার এবং চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ৮০ থেকে ১২০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব পরিসংখ্যান বিভাগভিত্তিক গড় হিসাব। জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ে বৃষ্টির পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে।
সমুদ্র পরিস্থিতি নিয়েও সতর্ক করেছে বিডব্লিউওটি। যদিও এ সময়ে বড় ধরনের কোনো নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা কম, তবুও গভীর মেঘমালার কারণে হঠাৎ দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সাগর ও উপকূলীয় এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।
এছাড়া বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টি বলয়ের সময়, বিস্তৃতি ও তীব্রতায় কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন