রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের গগন হরকারা গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াতপন্থী শিক্ষক সংগঠন গ্রীন ফোরাম আয়োজিত ‘চব্বিশের জুলাই: জন-আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. সালেহ হাসান নকীব বলেন, যারা আইন ও সংবিধান সম্পর্কে অভিজ্ঞ এবং দেশের সর্বোচ্চ বিচারিক পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন, তারা যখন সংস্কারের পক্ষে সম্মতি দিয়েছেন এবং জনগণের বিপুল সমর্থনও রয়েছে, তখন এর বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া কেবল অযৌক্তিক অজুহাত। তিনি বলেন, সংস্কার বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিলে রাজনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব, আর এর বিরোধিতা করলে সেই সুযোগ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান শতভাগ সফল হয়েছে, কারণ এর মূল লক্ষ্য ছিল স্বৈরশাসনের অবসান। এটি হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া কোনো আন্দোলন নয়; বরং দীর্ঘ ১৬ বছরের বৈষম্য, অবিচার ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ইনসাফ, সুবিচার ও আত্মমর্যাদার দাবিই ছিল এ আন্দোলনের মূল শক্তি।
রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন আন্দোলন করেও তারা স্বৈরশাসনের পতন ঘটাতে পারেনি। কিন্তু তরুণরা যখন জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছে, তখন সাধারণ মানুষ তাদের ওপর আস্থা রেখেছে। তাই গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত সাফল্যের কৃতিত্ব ছাত্র-জনতা ও তরুণ সমাজের। তিনি বলেন, প্রবীণ রাজনীতিকদের এই বাস্তবতা স্বীকার করা উচিত এবং মনে রাখতে হবে, প্রয়োজনে তরুণরাই আবারও দেশের পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
সেমিনারে গ্রীন ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ্জ হোসেন। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
রোববার (২ আগস্ট) দুপুরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের গগন হরকারা গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াতপন্থী শিক্ষক সংগঠন গ্রীন ফোরাম আয়োজিত ‘চব্বিশের জুলাই: জন-আকাঙ্ক্ষা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. সালেহ হাসান নকীব বলেন, যারা আইন ও সংবিধান সম্পর্কে অভিজ্ঞ এবং দেশের সর্বোচ্চ বিচারিক পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন, তারা যখন সংস্কারের পক্ষে সম্মতি দিয়েছেন এবং জনগণের বিপুল সমর্থনও রয়েছে, তখন এর বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া কেবল অযৌক্তিক অজুহাত। তিনি বলেন, সংস্কার বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দিলে রাজনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব, আর এর বিরোধিতা করলে সেই সুযোগ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান শতভাগ সফল হয়েছে, কারণ এর মূল লক্ষ্য ছিল স্বৈরশাসনের অবসান। এটি হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া কোনো আন্দোলন নয়; বরং দীর্ঘ ১৬ বছরের বৈষম্য, অবিচার ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। ইনসাফ, সুবিচার ও আত্মমর্যাদার দাবিই ছিল এ আন্দোলনের মূল শক্তি।
রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন আন্দোলন করেও তারা স্বৈরশাসনের পতন ঘটাতে পারেনি। কিন্তু তরুণরা যখন জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছে, তখন সাধারণ মানুষ তাদের ওপর আস্থা রেখেছে। তাই গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত সাফল্যের কৃতিত্ব ছাত্র-জনতা ও তরুণ সমাজের। তিনি বলেন, প্রবীণ রাজনীতিকদের এই বাস্তবতা স্বীকার করা উচিত এবং মনে রাখতে হবে, প্রয়োজনে তরুণরাই আবারও দেশের পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
সেমিনারে গ্রীন ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ্জ হোসেন। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন