চুয়াডাঙ্গার দর্শনা হল্ট স্টেশনে চার বছর বয়সী এক শিশুকে প্ল্যাটফর্মে রেখে ট্রেনের ধাক্কায় এক তরুণীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় স্টেশন এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হলেও আহত ওই নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে দর্শনা হল্ট স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ট্রেন স্টেশনে প্রবেশের সময় ওই নারীর সঙ্গে একটি চার বছর বয়সী শিশু ছিল। একপর্যায়ে শিশুটিকে প্ল্যাটফর্মে রেখে তিনি রেললাইনে চলে গেলে ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটি এ সময় অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয়।
প্রাথমিকভাবে নিহত নারীর নাম নিলুফা (২৫) বলে জানা গেছে। তবে তার পূর্ণাঙ্গ পরিচয় ও স্থায়ী ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
রেলওয়ে পুলিশ জানায়, নিহত নারীর কাছে থাকা মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তার স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তাদের জানানো হয়েছে।
বর্তমানে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া চার বছর বয়সী শিশুটি রেলওয়ে পুলিশের তত্ত্বাবধানে নিরাপদে রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে রেলওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি কী পরিস্থিতিতে ঘটেছে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা হল্ট স্টেশনে চার বছর বয়সী এক শিশুকে প্ল্যাটফর্মে রেখে ট্রেনের ধাক্কায় এক তরুণীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় স্টেশন এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হলেও আহত ওই নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে দর্শনা হল্ট স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ট্রেন স্টেশনে প্রবেশের সময় ওই নারীর সঙ্গে একটি চার বছর বয়সী শিশু ছিল। একপর্যায়ে শিশুটিকে প্ল্যাটফর্মে রেখে তিনি রেললাইনে চলে গেলে ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটি এ সময় অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হয়।
প্রাথমিকভাবে নিহত নারীর নাম নিলুফা (২৫) বলে জানা গেছে। তবে তার পূর্ণাঙ্গ পরিচয় ও স্থায়ী ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
রেলওয়ে পুলিশ জানায়, নিহত নারীর কাছে থাকা মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তার স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তাদের জানানো হয়েছে।
বর্তমানে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া চার বছর বয়সী শিশুটি রেলওয়ে পুলিশের তত্ত্বাবধানে নিরাপদে রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে রেলওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, ঘটনাটির প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি কী পরিস্থিতিতে ঘটেছে, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন