ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মুকসুদপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে মারধরের অভিযোগ, শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে



মুকসুদপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে মারধরের অভিযোগ, শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় আহত শিশুটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে অভিযোগের পর অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আহত শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লা (৭) উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে। সে কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র। অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্লার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যায়। পরে ওই ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ আহম্মদ মোল্লার ওপর আনা হয়। অভিযোগের জেরে শিক্ষক এনামুল মোল্লা শিশুটিকে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত শিক্ষার্থীর বাবা শাওন মোল্লা বলেন, তার ছেলে প্রায় এক বছর ধরে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে। এর আগে কখনো তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ ওঠেনি। একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালকের ভাই আমিনুল হক। তিনি দাবি করেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি; সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে।

এ বিষয়ে মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দ্রষ্টব্য: আপনার দেওয়া মূল তথ্যের বাইরে এই নির্দিষ্ট ঘটনার অতিরিক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য বা আনুষ্ঠানিক আপডেট অনলাইনে পাওয়া যায়নি। তাই যাচাই করা যায়নি এমন কোনো তথ্য যোগ করা হয়নি। 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


মুকসুদপুরে মাদ্রাসাছাত্রকে মারধরের অভিযোগ, শিক্ষক পুলিশ হেফাজতে

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনায় আহত শিশুটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে অভিযোগের পর অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আহত শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লা (৭) উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে। সে কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র। অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্লার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যায়। পরে ওই ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ আহম্মদ মোল্লার ওপর আনা হয়। অভিযোগের জেরে শিক্ষক এনামুল মোল্লা শিশুটিকে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত শিক্ষার্থীর বাবা শাওন মোল্লা বলেন, তার ছেলে প্রায় এক বছর ধরে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে। এর আগে কখনো তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ ওঠেনি। একটি ক্যালকুলেটর হারিয়ে যাওয়ার ঘটনায় মিথ্যা অভিযোগ এনে তাকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালকের ভাই আমিনুল হক। তিনি দাবি করেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি; সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছে।

এ বিষয়ে মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দ্রষ্টব্য: আপনার দেওয়া মূল তথ্যের বাইরে এই নির্দিষ্ট ঘটনার অতিরিক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য বা আনুষ্ঠানিক আপডেট অনলাইনে পাওয়া যায়নি। তাই যাচাই করা যায়নি এমন কোনো তথ্য যোগ করা হয়নি। 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ