জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রান্তিক মানুষের প্রশাসনিক ভোগান্তি কমাতে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনলাইন ও স্বশরীরের উপস্থিতির সমন্বয়ে এক ব্যতিক্রমী গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সেবাপ্রার্থীদের পাশাপাশি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামসহ হাওরাঞ্চলের বাসিন্দারাও যুক্ত হয়ে নিজেদের সমস্যা ও অভিযোগ তুলে ধরেন।
জেলা প্রশাসন জানায়, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমিয়ে সরকারি সেবা সহজলভ্য করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পান।
গণশুনানিতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, খাসজমি বন্দোবস্ত, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, স্থানীয় অবকাঠামোগত সমস্যা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে আবেদন করেন শতাধিক সেবাপ্রার্থী।
জেলা প্রশাসক প্রতিটি অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় তদন্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। কয়েকটি অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধানও দেওয়া হয়, যা উপস্থিত সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে সন্তোষের সৃষ্টি করে।
গণশুনানিতে অংশ নেওয়া কয়েকজন সেবাপ্রার্থী জানান, সরাসরি জেলা প্রশাসকের কাছে নিজেদের সমস্যা তুলে ধরতে পেরে তারা স্বস্তি অনুভব করেছেন। বিশেষ করে অনলাইনে যুক্ত হওয়া হাওরাঞ্চলের বাসিন্দারা বলেন, এতে তাদের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে।
গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, প্রশাসন জনগণের সেবার জন্যই কাজ করে। কোনো নাগরিক যেন দূরত্ব বা জটিলতার কারণে সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সরাসরি অংশগ্রহণের সমন্বয়ে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের গণশুনানি ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, প্রযুক্তিনির্ভর এ ধরনের জনবান্ধব উদ্যোগ প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি করবে এবং সেবাপ্রদান ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করে তুলবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রান্তিক মানুষের প্রশাসনিক ভোগান্তি কমাতে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনলাইন ও স্বশরীরের উপস্থিতির সমন্বয়ে এক ব্যতিক্রমী গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ গণশুনানিতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সেবাপ্রার্থীদের পাশাপাশি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামসহ হাওরাঞ্চলের বাসিন্দারাও যুক্ত হয়ে নিজেদের সমস্যা ও অভিযোগ তুলে ধরেন।
জেলা প্রশাসন জানায়, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমিয়ে সরকারি সেবা সহজলভ্য করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার (ইউডিসি) ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পান।
গণশুনানিতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ, খাসজমি বন্দোবস্ত, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, স্থানীয় অবকাঠামোগত সমস্যা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা নিয়ে আবেদন করেন শতাধিক সেবাপ্রার্থী।
জেলা প্রশাসক প্রতিটি অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শুনে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় তদন্ত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। কয়েকটি অভিযোগের তাৎক্ষণিক সমাধানও দেওয়া হয়, যা উপস্থিত সেবাপ্রার্থীদের মধ্যে সন্তোষের সৃষ্টি করে।
গণশুনানিতে অংশ নেওয়া কয়েকজন সেবাপ্রার্থী জানান, সরাসরি জেলা প্রশাসকের কাছে নিজেদের সমস্যা তুলে ধরতে পেরে তারা স্বস্তি অনুভব করেছেন। বিশেষ করে অনলাইনে যুক্ত হওয়া হাওরাঞ্চলের বাসিন্দারা বলেন, এতে তাদের সময়, অর্থ ও ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে।
গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, প্রশাসন জনগণের সেবার জন্যই কাজ করে। কোনো নাগরিক যেন দূরত্ব বা জটিলতার কারণে সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সরাসরি অংশগ্রহণের সমন্বয়ে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের গণশুনানি ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, প্রযুক্তিনির্ভর এ ধরনের জনবান্ধব উদ্যোগ প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি করবে এবং সেবাপ্রদান ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করে তুলবে।

আপনার মতামত লিখুন