দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে নদী থেকে ৩৫টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের কুষ্টিয়ার চক ও মালঞ্চ নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দিনব্যাপী এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দবির উদ্দিন অভিযানে নেতৃত্ব দেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জব্দ করা জালগুলোর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০০ মিটার এবং আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৫ হাজার টাকা। জালগুলো নদীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
অভিযানে সালথা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মামুন সরকার, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়া স্থানীয় পুলিশ ও আনসার সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন বলেন, নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহার দেশীয় প্রজাতির ছোট-বড় মাছের পাশাপাশি শামুক, ঝিনুকসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের জাল জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করছে।
তিনি আরও বলেন, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নদ-নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে নদী থেকে ৩৫টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের কুষ্টিয়ার চক ও মালঞ্চ নদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দিনব্যাপী এ অভিযান পরিচালিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দবির উদ্দিন অভিযানে নেতৃত্ব দেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, জব্দ করা জালগুলোর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০০ মিটার এবং আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮৫ হাজার টাকা। জালগুলো নদীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
অভিযানে সালথা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মামুন সরকার, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসুসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়া স্থানীয় পুলিশ ও আনসার সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অভিযান পরিচালনায় সহযোগিতা করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবির উদ্দিন বলেন, নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহার দেশীয় প্রজাতির ছোট-বড় মাছের পাশাপাশি শামুক, ঝিনুকসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের জাল জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি সৃষ্টি করছে।
তিনি আরও বলেন, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নদ-নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন