দিনাজপুরের চিরিরবন্দর ও খানসামা উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জনগণের প্রতি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব, সততা ও মানবিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনের সংসদ সদস্য ও সরকারদলীয় হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসৌজন্যমূলক, অমানবিক, হয়রানিমূলক কিংবা বৈষম্যমূলক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণকে সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে সেবা দিতে হবে।
পোস্টে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া উল্লেখ করেন, উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা, ভূমি অফিস, কৃষি বিভাগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রকল্প, ভাতা, অনুদান, সেবা বা সহায়তার নামে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে ঘুষ গ্রহণ, আর্থিক লেনদেন, অনৈতিক সুবিধা আদায় অথবা যেকোনো ধরনের দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারি সেবা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
হুইপ আরও বলেন, জনগণের আস্থা ও রাষ্ট্রের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দায়িত্বে অবহেলার বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর ও খানসামা উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জনগণের প্রতি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব, সততা ও মানবিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনের সংসদ সদস্য ও সরকারদলীয় হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, সরকারি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অসৌজন্যমূলক, অমানবিক, হয়রানিমূলক কিংবা বৈষম্যমূলক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণকে সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে সেবা দিতে হবে।
পোস্টে হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া উল্লেখ করেন, উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্যসেবা, ভূমি অফিস, কৃষি বিভাগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে প্রকল্প, ভাতা, অনুদান, সেবা বা সহায়তার নামে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে ঘুষ গ্রহণ, আর্থিক লেনদেন, অনৈতিক সুবিধা আদায় অথবা যেকোনো ধরনের দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সরকারি সেবা জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। সেই অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
হুইপ আরও বলেন, জনগণের আস্থা ও রাষ্ট্রের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং দায়িত্বে অবহেলার বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন