সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলার সফিপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আটক মামুন মিয়া কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের রাখালিয়াচালা গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সফিপুর বাজারের ‘মায়ের দোয়া’ নামের একটি পাইকারি দোকানে স্যালাইন বিক্রির উদ্দেশ্যে ২৫ কার্টুন স্যালাইন নিয়ে আসেন মামুন। স্যালাইনগুলোর মোড়ক ও প্যাকেজিং দেখে দোকান মালিকের সন্দেহ হলে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে কালিয়াকৈর থানা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মামুনকে হেফাজতে নেয় এবং তার কাছে থাকা ২৫ কার্টুন স্যালাইন জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখান থেকে মামুন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা স্যালাইনগুলো জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধার করা স্যালাইনগুলো প্রকৃতপক্ষে নকল কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া হবে। পরীক্ষার ফলাফল ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ভেজাল ও নকল চিকিৎসা সামগ্রী বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলার সফিপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আটক মামুন মিয়া কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক ইউনিয়নের রাখালিয়াচালা গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সফিপুর বাজারের ‘মায়ের দোয়া’ নামের একটি পাইকারি দোকানে স্যালাইন বিক্রির উদ্দেশ্যে ২৫ কার্টুন স্যালাইন নিয়ে আসেন মামুন। স্যালাইনগুলোর মোড়ক ও প্যাকেজিং দেখে দোকান মালিকের সন্দেহ হলে বিষয়টি স্থানীয়দের জানানো হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে কালিয়াকৈর থানা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে কালিয়াকৈর থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মামুনকে হেফাজতে নেয় এবং তার কাছে থাকা ২৫ কার্টুন স্যালাইন জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। সেখান থেকে মামুন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা স্যালাইনগুলো জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উদ্ধার করা স্যালাইনগুলো প্রকৃতপক্ষে নকল কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া হবে। পরীক্ষার ফলাফল ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ভেজাল ও নকল চিকিৎসা সামগ্রী বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন