ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

দেশে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের অধিকাংশেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের সন্ধান


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬

দেশে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের অধিকাংশেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের সন্ধান
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের বড় একটি অংশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও) পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে ২৬টিতেই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, মোট নমুনার প্রায় ৭৬.৫ শতাংশেই এ ধরনের কণার উপস্থিতি মিলেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে ইএসডিওর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক ইন টুথপেস্ট’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টি নমুনার মধ্যে ২২টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এছাড়া ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা দুইটি নমুনার দুটিতেই, থাইল্যান্ডের দুইটির একটিতে এবং ভারতের পাঁচটি নমুনার একটিতে এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

ইএসডিও জানায়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরের এই গবেষণায় দেশের বিভিন্ন সুপারশপ, খুচরা দোকান ও পাইকারি বাজার থেকে স্থানীয় ও আমদানি করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি (ইএইচই) ল্যাবরেটরিতে নমুনাগুলোর পরীক্ষাগার বিশ্লেষণ সম্পন্ন হয়। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর একটি জরিপও পরিচালনা করা হয়।

গবেষণার ফলাফল টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিষয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


দেশে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের অধিকাংশেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের সন্ধান

প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া টুথপেস্টের বড় একটি অংশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও) পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষা করা ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনার মধ্যে ২৬টিতেই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, মোট নমুনার প্রায় ৭৬.৫ শতাংশেই এ ধরনের কণার উপস্থিতি মিলেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে ইএসডিওর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘মাইক্রোপ্লাস্টিক ইন টুথপেস্ট’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

গবেষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টি নমুনার মধ্যে ২২টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এছাড়া ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা দুইটি নমুনার দুটিতেই, থাইল্যান্ডের দুইটির একটিতে এবং ভারতের পাঁচটি নমুনার একটিতে এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

ইএসডিও জানায়, ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরের এই গবেষণায় দেশের বিভিন্ন সুপারশপ, খুচরা দোকান ও পাইকারি বাজার থেকে স্থানীয় ও আমদানি করা ১৯টি ব্র্যান্ডের ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি (ইএইচই) ল্যাবরেটরিতে নমুনাগুলোর পরীক্ষাগার বিশ্লেষণ সম্পন্ন হয়। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর একটি জরিপও পরিচালনা করা হয়।

গবেষণার ফলাফল টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে নতুন করে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিষয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ