নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস কাণ্ড এবং শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মধ্যে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেছেন, কেন্দ্র সরকার তাকে পদচ্যুত না করে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে এমন সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-এর নেতৃত্বে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই শনিবার এই মন্তব্য করেন রাহুল গান্ধী।
দিল্লির ১০ জনপথে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের একমাত্র দাবি হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অবিলম্বে পদ থেকে বরখাস্ত করা। তাকে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে নেওয়া সমস্যার সমাধান নয়।
গত সোমবার সংসদ অভিমুখে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগের ঘটনায়ও তীব্র সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধী। তিনি এ ঘটনার জন্য দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক মধ্যরাতের বার্তারও সমালোচনা করেন কংগ্রেস নেতা। তার ভাষায়, এখন পরামর্শের সময় নয়, শিক্ষার্থীরা একটি বিষয়েই অনড়, আর তা হলো শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
সরকার ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৃতীয় দফার বৈঠকের আগে রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্য দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
এস.আর

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুলাই ২০২৬
নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁস কাণ্ড এবং শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মধ্যে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নিয়ে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেছেন, কেন্দ্র সরকার তাকে পদচ্যুত না করে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে এমন সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দিল্লির যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)-এর নেতৃত্বে চলমান আন্দোলনের মধ্যেই শনিবার এই মন্তব্য করেন রাহুল গান্ধী।
দিল্লির ১০ জনপথে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের একমাত্র দাবি হলো শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অবিলম্বে পদ থেকে বরখাস্ত করা। তাকে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে নেওয়া সমস্যার সমাধান নয়।
গত সোমবার সংসদ অভিমুখে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ ও বলপ্রয়োগের ঘটনায়ও তীব্র সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধী। তিনি এ ঘটনার জন্য দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক মধ্যরাতের বার্তারও সমালোচনা করেন কংগ্রেস নেতা। তার ভাষায়, এখন পরামর্শের সময় নয়, শিক্ষার্থীরা একটি বিষয়েই অনড়, আর তা হলো শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
সরকার ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৃতীয় দফার বৈঠকের আগে রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্য দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
এস.আর

আপনার মতামত লিখুন