নওগাঁয় এক যুবককে অপহরণ করে নির্যাতনের পর জোরপূর্বক ফাঁকা ব্যাংক চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া এবং তার স্ত্রীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে নওগাঁ সদর উপজেলার আনন্দনগর পদ্মবিলা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী মান্দা উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চকরামপুর উত্তরপাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিন মহুরীর ছেলে মো. সোহেল রানা।
অভিযোগে সোহেল রানা জানান, ঘটনার দিন ব্যক্তিগত কাজ শেষে তিনি নওগাঁ সদর উপজেলার আনন্দনগর এলাকায় অবস্থিত এম এস ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস অফিসে যান। বিকেল প্রায় ৪টার দিকে সেখানে অবস্থানকালে মান্দা উপজেলার বিষ্ণুপুর ভরট্টশিবনগর গ্রামের কছিমুদ্দিনের ছেলে আলতাফ হোসেন (৪০), দাসপাড়া গ্রামের জব্বারের ছেলে আব্দুল খালেক (৩৫), তজুমদ্দিনের ছেলে মো. খলিল, বনকুড়া গ্রামের গমিরের ছেলে আলতাবসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নওগাঁর পাটালী মোড় এলাকার একটি রিকশা গ্যারেজে আটকে রাখেন। সেখানে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ সময় তার কাছে থাকা ১ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি এবি ব্যাংক, নওগাঁ শাখার একটি ফাঁকা চেক এবং ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাকে জিম্মি করে রাখা হয়।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী সমাপ্তি বলেন, আমার স্বামীকে জিম্মি করে নির্যাতনের একপর্যায়ে আমাকে ফোন করে প্রথমে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেলে রাতেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প উদ্ধার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, যেহেতু ফাঁকা ব্যাংক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তাই এ বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত আলতাফ হোসেনের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তার বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
নওগাঁয় এক যুবককে অপহরণ করে নির্যাতনের পর জোরপূর্বক ফাঁকা ব্যাংক চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া এবং তার স্ত্রীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে নওগাঁ সদর উপজেলার আনন্দনগর পদ্মবিলা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী মান্দা উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের চকরামপুর উত্তরপাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিন মহুরীর ছেলে মো. সোহেল রানা।
অভিযোগে সোহেল রানা জানান, ঘটনার দিন ব্যক্তিগত কাজ শেষে তিনি নওগাঁ সদর উপজেলার আনন্দনগর এলাকায় অবস্থিত এম এস ইন্টারন্যাশনাল ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস অফিসে যান। বিকেল প্রায় ৪টার দিকে সেখানে অবস্থানকালে মান্দা উপজেলার বিষ্ণুপুর ভরট্টশিবনগর গ্রামের কছিমুদ্দিনের ছেলে আলতাফ হোসেন (৪০), দাসপাড়া গ্রামের জব্বারের ছেলে আব্দুল খালেক (৩৫), তজুমদ্দিনের ছেলে মো. খলিল, বনকুড়া গ্রামের গমিরের ছেলে আলতাবসহ আরও ১০ থেকে ১৫ জন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নওগাঁর পাটালী মোড় এলাকার একটি রিকশা গ্যারেজে আটকে রাখেন। সেখানে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ সময় তার কাছে থাকা ১ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি এবি ব্যাংক, নওগাঁ শাখার একটি ফাঁকা চেক এবং ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া হয়। পরে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাকে জিম্মি করে রাখা হয়।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী সমাপ্তি বলেন, আমার স্বামীকে জিম্মি করে নির্যাতনের একপর্যায়ে আমাকে ফোন করে প্রথমে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেলে রাতেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্প উদ্ধার এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, যেহেতু ফাঁকা ব্যাংক চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, তাই এ বিষয়ে আদালতে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত আলতাফ হোসেনের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে তার বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন