রাজধানীর ডেমরা এলাকায় আওয়ামী লীগের দোসর ও ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে এবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল এবং সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানির তীব্র অভিযোগ উঠে এসেছে। বিগত সরকারের আমলে গড়ে তোলা ক্যাডার বাহিনী ও সিন্ডিকেটের দাপটে এখনো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডেমরার ঐতিহ্যবাহী শামসুল হক খান স্কুলে শুরুতে একজন সাধারণ কর্মচারী বা কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান ডাঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লা। কিন্তু ক্ষমতার লোভে ও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের রাজনৈতিক মদদে তিনি পুরো প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিজের নেওয়ার চক্রান্তে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মূল প্রতিষ্ঠাতা ও তার পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সম্পূর্ণ জোরপূর্বক তাড়িয়ে দিয়ে স্কুলটি পুরোপুরি নিজের দখলে নেন তিনি। প্রতিষ্ঠানের জমি ও সার্বিক প্রশাসনিক কর্তৃত্ব নিজের কব্জায় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সেখানে বসিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়েও নিজের অপরাধের সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে কৌশল বদল করেছেন এই অভিযুক্ত নেতা। বর্তমানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নাম ব্যবহার করে তিনি ডেমরা এলাকার সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও বিরোধী মতের লোকজনকে ভয়ভীতি এবং হয়রানি করছেন বলে প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় বা সখ্যতার ভুয়া দাপট দেখিয়ে তিনি ডেমরায় প্রভাব খাটানোর জঘন্য অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। অথচ তার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে।
এই দখলদারিত্ব ও আধিপত্য বজায় রাখার অংশ হিসেবেই সম্প্রতি শামসুল হক খান স্কুলের আসন্ন অভিভাবক নির্বাচন কেন্দ্র করে তার অনুসারী সন্ত্রাসীরা চরম তাণ্ডব চালিয়েছে। নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে স্কুলের সামনে প্রকাশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে, যেন কেউ তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস না পায়।
গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরুর পরও একজন কুখ্যাত হত্যা মামলার আসামি ও দখলদার কীভাবে প্রকাশ্যে দাপট দেখিয়ে বেড়ায়—তা নিয়ে পুরো ডেমরাজুড়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা জোর দাবি জানিয়েছেন:
হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না, সে বিষয়ে প্রশাসনকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।
প্রতিষ্ঠাতাকে তাড়িয়ে অবৈধভাবে দখল করা শামসুল হক খান স্কুলকে উক্ত সিন্ডিকেটের হাত থেকে মুক্ত করে মূল কর্তৃপক্ষের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে মানুষকে হয়রানি করা এবং ককটেল ফুটিয়ে সন্ত্রাসী রাজত্ব কায়েমের অপরাধে ডাঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লা ও তার অনুসারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর ডেমরা এলাকায় আওয়ামী লীগের দোসর ও ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে এবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল এবং সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানির তীব্র অভিযোগ উঠে এসেছে। বিগত সরকারের আমলে গড়ে তোলা ক্যাডার বাহিনী ও সিন্ডিকেটের দাপটে এখনো এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডেমরার ঐতিহ্যবাহী শামসুল হক খান স্কুলে শুরুতে একজন সাধারণ কর্মচারী বা কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান ডাঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লা। কিন্তু ক্ষমতার লোভে ও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের রাজনৈতিক মদদে তিনি পুরো প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিজের নেওয়ার চক্রান্তে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মূল প্রতিষ্ঠাতা ও তার পরিবারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সম্পূর্ণ জোরপূর্বক তাড়িয়ে দিয়ে স্কুলটি পুরোপুরি নিজের দখলে নেন তিনি। প্রতিষ্ঠানের জমি ও সার্বিক প্রশাসনিক কর্তৃত্ব নিজের কব্জায় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সেখানে বসিয়ে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেন বলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে।
গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়েও নিজের অপরাধের সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে কৌশল বদল করেছেন এই অভিযুক্ত নেতা। বর্তমানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নাম ব্যবহার করে তিনি ডেমরা এলাকার সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও বিরোধী মতের লোকজনকে ভয়ভীতি এবং হয়রানি করছেন বলে প্রকাশ পেয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় বা সখ্যতার ভুয়া দাপট দেখিয়ে তিনি ডেমরায় প্রভাব খাটানোর জঘন্য অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। অথচ তার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ওপর গুলিবর্ষণ ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে।
এই দখলদারিত্ব ও আধিপত্য বজায় রাখার অংশ হিসেবেই সম্প্রতি শামসুল হক খান স্কুলের আসন্ন অভিভাবক নির্বাচন কেন্দ্র করে তার অনুসারী সন্ত্রাসীরা চরম তাণ্ডব চালিয়েছে। নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে স্কুলের সামনে প্রকাশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অভিভাবকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে, যেন কেউ তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস না পায়।
গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরুর পরও একজন কুখ্যাত হত্যা মামলার আসামি ও দখলদার কীভাবে প্রকাশ্যে দাপট দেখিয়ে বেড়ায়—তা নিয়ে পুরো ডেমরাজুড়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা জোর দাবি জানিয়েছেন:
হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না, সে বিষয়ে প্রশাসনকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।
প্রতিষ্ঠাতাকে তাড়িয়ে অবৈধভাবে দখল করা শামসুল হক খান স্কুলকে উক্ত সিন্ডিকেটের হাত থেকে মুক্ত করে মূল কর্তৃপক্ষের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে।
শিক্ষামন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে মানুষকে হয়রানি করা এবং ককটেল ফুটিয়ে সন্ত্রাসী রাজত্ব কায়েমের অপরাধে ডাঃ মাহবুবুর রহমান মোল্লা ও তার অনুসারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন