কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর ভুয়া স্টিকার ব্যবহার করে একটি বিলাসবহুল ল্যান্ডক্রুজার গাড়িতে ইয়াবা পাচারের চেষ্টার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। এ সময় গাড়িটি জব্দের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন একটি ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বিভিন্ন চেকপোস্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে গাড়িটিতে সেনাবাহিনীর ভুয়া স্টিকার ব্যবহার করা হয়েছিল।
পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, আটক ব্যক্তি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য নন। এছাড়া গাড়িতে ব্যবহৃত স্টিকারটিও সম্পূর্ণ অবৈধ এবং প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে।
সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান জানান, ঘটনার সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্র জড়িত থাকতে পারে। ইয়াবার উৎস, ভুয়া স্টিকার সংগ্রহের পদ্ধতি এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি বাহিনীর পরিচয় ভুয়াভাবে ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা এবং মাদক পাচারের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলমান থাকবে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর ভুয়া স্টিকার ব্যবহার করে একটি বিলাসবহুল ল্যান্ডক্রুজার গাড়িতে ইয়াবা পাচারের চেষ্টার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। এ সময় গাড়িটি জব্দের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন একটি ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বিভিন্ন চেকপোস্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে গাড়িটিতে সেনাবাহিনীর ভুয়া স্টিকার ব্যবহার করা হয়েছিল।
পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া যায়, আটক ব্যক্তি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য নন। এছাড়া গাড়িতে ব্যবহৃত স্টিকারটিও সম্পূর্ণ অবৈধ এবং প্রতারণামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে।
সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান জানান, ঘটনার সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ মাদক চক্র জড়িত থাকতে পারে। ইয়াবার উৎস, ভুয়া স্টিকার সংগ্রহের পদ্ধতি এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি বাহিনীর পরিচয় ভুয়াভাবে ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটনের চেষ্টা এবং মাদক পাচারের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলমান থাকবে। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন