মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যা করতে পারলে এক কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৩ কোটি ১২ লাখ টাকা) পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে ইরাকভিত্তিক ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক (আইআরআই)।
গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, তাদের সদস্য ও সমর্থকদের অনুদানে গঠিত তহবিল থেকে এই অর্থ পুরস্কার হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে। বিবৃতিতে ট্রাম্পকে 'অপরাধী' আখ্যা দিয়ে বলা হয়, যে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠী তাকে হত্যা করবে, তারা এই অর্থ পাবে।
আইআরআই আরও দাবি করেছে, বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষ শিশু ও বিজ্ঞানীদের হত্যার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘অপরাধীরা কখনো নিরাপদ আশ্রয় পাবে না এবং স্বৈরাচারীদের শেষ পর্যন্ত জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।’
সংগঠনটি আরও বলেছে, তাদের নিহত যোদ্ধাদের প্রতিশোধ নেওয়া একটি ‘বাধ্যতামূলক অঙ্গীকার’। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ না নেওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
এদিকে গালফ নিউজ–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদির সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং ইরাকের মিলিশিয়া নেতা আবু মাহদি আল-মুহান্দিস হত্যাকাণ্ডে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ট্রাম্পের ওই মন্তব্যের পরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক তার বিরুদ্ধে এই পুরস্কার ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যা করতে পারলে এক কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৩ কোটি ১২ লাখ টাকা) পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে ইরাকভিত্তিক ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক (আইআরআই)।
গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, তাদের সদস্য ও সমর্থকদের অনুদানে গঠিত তহবিল থেকে এই অর্থ পুরস্কার হিসেবে বরাদ্দ করা হয়েছে। বিবৃতিতে ট্রাম্পকে 'অপরাধী' আখ্যা দিয়ে বলা হয়, যে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠী তাকে হত্যা করবে, তারা এই অর্থ পাবে।
আইআরআই আরও দাবি করেছে, বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষ শিশু ও বিজ্ঞানীদের হত্যার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘অপরাধীরা কখনো নিরাপদ আশ্রয় পাবে না এবং স্বৈরাচারীদের শেষ পর্যন্ত জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে।’
সংগঠনটি আরও বলেছে, তাদের নিহত যোদ্ধাদের প্রতিশোধ নেওয়া একটি ‘বাধ্যতামূলক অঙ্গীকার’। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ না নেওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
এদিকে গালফ নিউজ–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদির সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং ইরাকের মিলিশিয়া নেতা আবু মাহদি আল-মুহান্দিস হত্যাকাণ্ডে নিজের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ট্রাম্পের ওই মন্তব্যের পরই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক তার বিরুদ্ধে এই পুরস্কার ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়।

আপনার মতামত লিখুন