বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে ভুয়া নাগরিক সনদ ও ‘রোহিঙ্গা নন’ মর্মে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার অভিযোগে একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ চার জনপ্রতিনিধিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া জনপ্রতিনিধিরা হলেন, আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সন্তোষ কান্তি দাশ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাকের হোসেন এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মতিন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম-২০২৫ উপলক্ষে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্যে ভুয়া নাগরিক সনদ ও ‘রোহিঙ্গা নন’ মর্মে প্রত্যয়নপত্র দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে অসম্পূর্ণ ও ভুয়া তথ্যসংবলিত প্রত্যয়নপত্র ইস্যু করে ভোটার তালিকাভুক্তিতে সহায়তা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারসহ রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রশাসনিকভাবে পাওয়া গেছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তদন্তাধীন অবস্থায় তাকে দায়িত্বে বহাল রাখা প্রশাসনিকভাবে সমীচীন নয়। জনস্বার্থ বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত চার জনপ্রতিনিধিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর আলম বলেন, এটি সাময়িক বরখাস্ত, চূড়ান্ত নয়। অভিযুক্তদের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে ভুয়া নাগরিক সনদ ও ‘রোহিঙ্গা নন’ মর্মে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার অভিযোগে একটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ চার জনপ্রতিনিধিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া জনপ্রতিনিধিরা হলেন, আলীকদম সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সন্তোষ কান্তি দাশ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জাকের হোসেন এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল মতিন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব জিয়াউর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম-২০২৫ উপলক্ষে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশ্যে ভুয়া নাগরিক সনদ ও ‘রোহিঙ্গা নন’ মর্মে প্রত্যয়নপত্র দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে অসম্পূর্ণ ও ভুয়া তথ্যসংবলিত প্রত্যয়নপত্র ইস্যু করে ভোটার তালিকাভুক্তিতে সহায়তা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারসহ রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা প্রশাসনিকভাবে পাওয়া গেছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তদন্তাধীন অবস্থায় তাকে দায়িত্বে বহাল রাখা প্রশাসনিকভাবে সমীচীন নয়। জনস্বার্থ বিবেচনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। পাশাপাশি অভিযুক্ত চার জনপ্রতিনিধিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর আলম বলেন, এটি সাময়িক বরখাস্ত, চূড়ান্ত নয়। অভিযুক্তদের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন