কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে টানা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।
মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে শনিবার (১২ জুলাই) চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার কৈয়ারবিল, বরইতলী, টৈটং এবং সদর ইউনিয়নের নন্দীরপাড়া এলাকায় পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
এ সময় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ সামীম কবীর সরেজমিনে দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন। তারা পানিবন্দি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শোনেন।
পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ ও সংকটের সময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশ পুলিশের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। ভবিষ্যতেও যে কোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে থেকে সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে টানা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।
মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে শনিবার (১২ জুলাই) চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার কৈয়ারবিল, বরইতলী, টৈটং এবং সদর ইউনিয়নের নন্দীরপাড়া এলাকায় পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জরুরি ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
এ সময় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ সামীম কবীর সরেজমিনে দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন। তারা পানিবন্দি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শোনেন।
পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, দুর্যোগ ও সংকটের সময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো বাংলাদেশ পুলিশের দায়িত্ব ও অঙ্গীকার। ভবিষ্যতেও যে কোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে থেকে সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে কক্সবাজার জেলা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন