ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

জুলাই আন্দোলনের স্পিরিট ক্ষতবিশিষ্ট 'দেশজুড়ে মামলার নামে ‘হয়রানি ও চাঁদাবাজির’ নতুন সিন্ডিকেট



 জুলাই আন্দোলনের স্পিরিট ক্ষতবিশিষ্ট 'দেশজুড়ে মামলার নামে ‘হয়রানি ও চাঁদাবাজির’ নতুন সিন্ডিকেট

জুলাই আন্দোলনের মহান আত্মত্যাগ ও গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ এক নতুন, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজের স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু সেই স্বপ্নকে পুঁজি করে এখন এক শ্রেণির অসাধু চক্র মেতে উঠেছে এক নৃশংস ‘মামলা বাণিজ্যে’। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলার অজুহাতে সাধারণ মানুষকে ফাঁসানো, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা এবং নাম কাটার নামে লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি এখন ওপেন সিক্রেট। আদালত পাড়া থেকে শুরু করে থানার বারান্দা—সবখানেই এখন মিলছে এই সিন্ডিকেটের থাবা।

অনুসন্ধানের তথ্য বলছে, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের এমন কোনো থানা নেই যেখানে এই মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেনি। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, ফতুল্লা থানা ও সদর থানায় এই সিন্ডিকেটের তৎপরতা সবচেয়ে ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে।

একটি মামলার এজাহার ধরে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এজাহারে বাদী যে ঠিকানা ব্যবহার করেছেন, অনুসন্ধানী দল সেই ঠিকানায় গিয়ে জানতে পারে—ঐ নামে কোনো ব্যক্তির অস্তিত্বই সেখানে নেই। অর্থাৎ, সম্পূর্ণ কাল্পনিক বা ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে ঢালাওভাবে মামলা রুজু করা হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠেছে, তদন্ত ছাড়াই পুলিশ কীভাবে এসব ভিউা এজাহার গ্রহণ করছে? আর আদালতই বা তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে কীভাবে তা রুজু করার নির্দেশ দিচ্ছে?

আদালত পাড়ার সূত্রগুলো বলছে, এই বাণিজ্যের মূল চালিকাশক্তি নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার স্থানীয় কিছু অসাধু আইনজীবী এবং পুলিশের একটি অসাধু চক্র। তারা বাদীর নাম ভাঙিয়ে বা কখনো কখনো ভিউা বাদী সাজিয়ে শত শত ব্যক্তির নাম এজাহারে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। পরবর্তীতে নাম বাদ দেওয়া বা গ্রেফতার না করার आश्वासन দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।

আদালতের বারান্দায় কিছুক্ষণ ঘুরলেই বোঝা যায় মামলা বাণিজ্যের গভীরতা। কোনো ঘটনার সাথে দূর-দূরান্তের সম্পর্ক নেই, এমন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, এমনকি প্রবাসীদেরও মামলার আসামি করা হচ্ছে শুধু টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে।" — একজন ভুক্তভোগী সাধারণ নাগরিক।

সিন্ডিকেটের অপরাধের কৌশলটি খুবই সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পিত:

  • ঢালাও এজাহার: প্রতিটি মামলায় সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই ১০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা বা নামসহ আসামি করা হচ্ছে।

  • তালিকা তৈরি ও হুমকি: মামলা হওয়ার পরপরই দালেরা আসামিদের বাড়িতে বা কর্মস্থলে গিয়ে গ্রেফতারের ভয় দেখায়।

  • টাকা উসুল: নাম কাটাতে হবে বা পুলিশি প্রতিবেদন পক্ষে নিতে হবে—এই অজুহাতে ৫ লক্ষ থেকে শুরু করে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে। টাকা দিলে নাম ‘হালকা’ করা হয়, না দিলে চালানো হয় রিমান্ডের নামে নির্যাতন।

গণ-অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতা নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই ঢালাও মামলা বাণিজ্য রুখতে একটি কড়া নির্দেশনা জারি করেছিল। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছিল, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ও প্রাথমিক সত্যতা যাচাই ছাড়া থানায় কোনো বিস্ফোরক বা হত্যা মামলা সরাসরি রুজু করা যাবে না এবং নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা যাবে না। কিন্তু মাঠপর্যায়ে সেই নির্দেশনার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। অসাধু চক্র ও পুলিশের একাংশ সেই আইনি সুরক্ষাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পকেট ভারী করার মিশন চালিয়ে যাচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে এখন জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সরকার রাষ্ট্রক্ষমতায় রয়েছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সাধারণ মানুষের সব চোখ এখন নবনির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ-এর দিকে।

জনগণ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের প্রশ্ন—এই স্বৈরাচার-পরবর্তী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশেও কি এই নোংরা মামলা বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট চলতেই থাকবে, নাকি নির্বাচিত সরকার এর স্থায়ী সমাধান করবে?

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব অতীতে বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তারা কোনো ধরনের প্রতিহিংসার রাজনীতি বা অন্যায় হয়রানি বরদাশতো করবেন না। ফলে এই সিন্ডিকেট ভাঙা বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় ‘অ্যাসিড টেস্ট’। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এই অরাজকতা থেকে বাঁচতে নবনির্বাচিত সরকারের কাছে কিছু জরুরি পদক্ষেপ দাবি করছেন:

১. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর অনুশাসন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের পক্ষ থেকে প্রতিটি থানায় অবিলম্বে নতুন ও কঠোর নির্দেশনা পাঠাতে হবে, যেন ভুয়া বা ঢালাও এজাহার গ্রহণ বন্ধ হয়। 

২. আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: যেসব আইনজীবী ভুয়া বাদী সাজিয়ে বা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এজাহার ড্রাফট করছে, বার কাউন্সিল কর্তৃক তদন্ত করে তাদের ওকালতি সনদ স্থায়ীভাবে বাতিল করতে হবে। 

৩. পুলিশি জবাবদিহিতা: ভুয়া ঠিকানার এজাহার গ্রহণকারী ডিউটি অফিসার এবং ওসিদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. NID যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক: মামলার এজাহার দায়েরের সময় বাদী এবং সাক্ষীদের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং সক্রিয় মোবাইল নম্বর যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক করতে হবে।

যে বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত সমাজের জন্য ছাত্র-জনতা রক্ত দিল, সেই আন্দোলনের পবিত্র স্পিরিট ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা শহীদদের রক্তের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা। এই নোংরা মামলা বাণিজ্য এখনই বন্ধ করতে না পারলে তা নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটে ফেলবে। দেশের শান্তি ও ন্যায়বিচার রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের জিরো টলারেন্স নীতি ও দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপই এখন সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


জুলাই আন্দোলনের স্পিরিট ক্ষতবিশিষ্ট 'দেশজুড়ে মামলার নামে ‘হয়রানি ও চাঁদাবাজির’ নতুন সিন্ডিকেট

প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

জুলাই আন্দোলনের মহান আত্মত্যাগ ও গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ এক নতুন, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজের স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু সেই স্বপ্নকে পুঁজি করে এখন এক শ্রেণির অসাধু চক্র মেতে উঠেছে এক নৃশংস ‘মামলা বাণিজ্যে’। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলার অজুহাতে সাধারণ মানুষকে ফাঁসানো, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা এবং নাম কাটার নামে লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি এখন ওপেন সিক্রেট। আদালত পাড়া থেকে শুরু করে থানার বারান্দা—সবখানেই এখন মিলছে এই সিন্ডিকেটের থাবা।

অনুসন্ধানের তথ্য বলছে, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের এমন কোনো থানা নেই যেখানে এই মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেনি। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা, ফতুল্লা থানা ও সদর থানায় এই সিন্ডিকেটের তৎপরতা সবচেয়ে ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে।

একটি মামলার এজাহার ধরে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এজাহারে বাদী যে ঠিকানা ব্যবহার করেছেন, অনুসন্ধানী দল সেই ঠিকানায় গিয়ে জানতে পারে—ঐ নামে কোনো ব্যক্তির অস্তিত্বই সেখানে নেই। অর্থাৎ, সম্পূর্ণ কাল্পনিক বা ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে ঢালাওভাবে মামলা রুজু করা হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠেছে, তদন্ত ছাড়াই পুলিশ কীভাবে এসব ভিউা এজাহার গ্রহণ করছে? আর আদালতই বা তথ্যের সত্যতা যাচাই না করে কীভাবে তা রুজু করার নির্দেশ দিচ্ছে?

আদালত পাড়ার সূত্রগুলো বলছে, এই বাণিজ্যের মূল চালিকাশক্তি নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার স্থানীয় কিছু অসাধু আইনজীবী এবং পুলিশের একটি অসাধু চক্র। তারা বাদীর নাম ভাঙিয়ে বা কখনো কখনো ভিউা বাদী সাজিয়ে শত শত ব্যক্তির নাম এজাহারে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। পরবর্তীতে নাম বাদ দেওয়া বা গ্রেফতার না করার आश्वासन দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।

আদালতের বারান্দায় কিছুক্ষণ ঘুরলেই বোঝা যায় মামলা বাণিজ্যের গভীরতা। কোনো ঘটনার সাথে দূর-দূরান্তের সম্পর্ক নেই, এমন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, এমনকি প্রবাসীদেরও মামলার আসামি করা হচ্ছে শুধু টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে।" — একজন ভুক্তভোগী সাধারণ নাগরিক।

সিন্ডিকেটের অপরাধের কৌশলটি খুবই সুনির্দিষ্ট ও পরিকল্পিত:

  • ঢালাও এজাহার: প্রতিটি মামলায় সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই ১০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা বা নামসহ আসামি করা হচ্ছে।

  • তালিকা তৈরি ও হুমকি: মামলা হওয়ার পরপরই দালেরা আসামিদের বাড়িতে বা কর্মস্থলে গিয়ে গ্রেফতারের ভয় দেখায়।

  • টাকা উসুল: নাম কাটাতে হবে বা পুলিশি প্রতিবেদন পক্ষে নিতে হবে—এই অজুহাতে ৫ লক্ষ থেকে শুরু করে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে। টাকা দিলে নাম ‘হালকা’ করা হয়, না দিলে চালানো হয় রিমান্ডের নামে নির্যাতন।

গণ-অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতা নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই ঢালাও মামলা বাণিজ্য রুখতে একটি কড়া নির্দেশনা জারি করেছিল। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছিল, সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ও প্রাথমিক সত্যতা যাচাই ছাড়া থানায় কোনো বিস্ফোরক বা হত্যা মামলা সরাসরি রুজু করা যাবে না এবং নিরপরাধ কাউকে হয়রানি করা যাবে না। কিন্তু মাঠপর্যায়ে সেই নির্দেশনার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। অসাধু চক্র ও পুলিশের একাংশ সেই আইনি সুরক্ষাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পকেট ভারী করার মিশন চালিয়ে যাচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে এখন জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সরকার রাষ্ট্রক্ষমতায় রয়েছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সাধারণ মানুষের সব চোখ এখন নবনির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ-এর দিকে।

জনগণ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের প্রশ্ন—এই স্বৈরাচার-পরবর্তী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশেও কি এই নোংরা মামলা বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট চলতেই থাকবে, নাকি নির্বাচিত সরকার এর স্থায়ী সমাধান করবে?

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব অতীতে বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তারা কোনো ধরনের প্রতিহিংসার রাজনীতি বা অন্যায় হয়রানি বরদাশতো করবেন না। ফলে এই সিন্ডিকেট ভাঙা বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় ‘অ্যাসিড টেস্ট’। ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ এই অরাজকতা থেকে বাঁচতে নবনির্বাচিত সরকারের কাছে কিছু জরুরি পদক্ষেপ দাবি করছেন:

১. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কঠোর অনুশাসন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের পক্ষ থেকে প্রতিটি থানায় অবিলম্বে নতুন ও কঠোর নির্দেশনা পাঠাতে হবে, যেন ভুয়া বা ঢালাও এজাহার গ্রহণ বন্ধ হয়। 

২. আইনজীবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: যেসব আইনজীবী ভুয়া বাদী সাজিয়ে বা বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে এজাহার ড্রাফট করছে, বার কাউন্সিল কর্তৃক তদন্ত করে তাদের ওকালতি সনদ স্থায়ীভাবে বাতিল করতে হবে। 

৩. পুলিশি জবাবদিহিতা: ভুয়া ঠিকানার এজাহার গ্রহণকারী ডিউটি অফিসার এবং ওসিদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. NID যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক: মামলার এজাহার দায়েরের সময় বাদী এবং সাক্ষীদের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এবং সক্রিয় মোবাইল নম্বর যাচাইকরণ বাধ্যতামূলক করতে হবে।

যে বৈষম্যহীন ও স্বৈরাচারমুক্ত সমাজের জন্য ছাত্র-জনতা রক্ত দিল, সেই আন্দোলনের পবিত্র স্পিরিট ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা শহীদদের রক্তের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা। এই নোংরা মামলা বাণিজ্য এখনই বন্ধ করতে না পারলে তা নতুন গণতান্ত্রিক সরকারের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটে ফেলবে। দেশের শান্তি ও ন্যায়বিচার রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের জিরো টলারেন্স নীতি ও দৃশ্যমান কঠোর পদক্ষেপই এখন সাধারণ মানুষের একমাত্র ভরসা।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ