নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নিখোঁজের ছয় দিন পর একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে মাছুম রানা (৩৫) নামে এক অটোরিকশা চালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মাছুম রানা উপজেলার সোনাচরা এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন।
আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকালে উপজেলার মদনগঞ্জ-মদনপুর মহাসড়কের পাশে ঢাকেশ্বরী রোড এলাকার একটি পরিত্যক্ত ডোবায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি মাছুম রানার বলে শনাক্ত করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৯ জুন) বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন মাছুম রানা। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে বন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।
নিহতের স্ত্রী সুমা আক্তারের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে কয়েকজন ব্যক্তি কৌশলে তার স্বামীকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে অপহরণ করে। পরে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ডোবায় ফেলে রাখা হয়। তিনি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান:
উদ্ধারকৃত মরদেহটি কয়েকদিন আগের হওয়ায় তা অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল।
নিহতের গলা, হাত ও পায়ের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নিখোঁজের ছয় দিন পর একটি পরিত্যক্ত ডোবা থেকে মাছুম রানা (৩৫) নামে এক অটোরিকশা চালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মাছুম রানা উপজেলার সোনাচরা এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন।
আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকালে উপজেলার মদনগঞ্জ-মদনপুর মহাসড়কের পাশে ঢাকেশ্বরী রোড এলাকার একটি পরিত্যক্ত ডোবায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি মাছুম রানার বলে শনাক্ত করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (২৯ জুন) বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন মাছুম রানা। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে বন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।
নিহতের স্ত্রী সুমা আক্তারের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে কয়েকজন ব্যক্তি কৌশলে তার স্বামীকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে অপহরণ করে। পরে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ডোবায় ফেলে রাখা হয়। তিনি এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন জানান:
উদ্ধারকৃত মরদেহটি কয়েকদিন আগের হওয়ায় তা অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল।
নিহতের গলা, হাত ও পায়ের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন