রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নে ঝালমুড়ি কিনতে গিয়ে সাত বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লুৎফর রহমান (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম।
গ্রেফতার লুৎফর রহমান উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের মৃত আজাহার বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটি ঝালমুড়ি কিনতে লুৎফরের দোকানে যায়। অভিযোগ রয়েছে, সেখান থেকে তাকে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন লুৎফর। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে মায়ের কাছে ঘটনাটি জানায়। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে মারধর করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। শিশুটি এখনও চিকিৎসাধীন থাকায় হাসপাতালের মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নে ঝালমুড়ি কিনতে গিয়ে সাত বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত লুৎফর রহমান (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম।
গ্রেফতার লুৎফর রহমান উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের মৃত আজাহার বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় ঝালমুড়ি বিক্রেতা।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটি ঝালমুড়ি কিনতে লুৎফরের দোকানে যায়। অভিযোগ রয়েছে, সেখান থেকে তাকে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন লুৎফর। পরে শিশুটি বাড়ি ফিরে মায়ের কাছে ঘটনাটি জানায়। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর স্থানীয়রা অভিযুক্তকে আটক করে মারধর করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিশুর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। শিশুটি এখনও চিকিৎসাধীন থাকায় হাসপাতালের মেডিকেল রিপোর্ট পাওয়ার পর মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন