গত বৃহস্পতিবার রাতে হাটহাজারী উপজেলার স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, রাউজানের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা হাটহাজারীতে প্রকাশ্যে মিছিল করছে। শান্তির জনপদ হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা যদি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আমরা চাই না হাটহাজারী রাউজানের মতো হোক। আমি বেঁচে থাকতে হাটহাজারীকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য বানাতে জীবিত থাকতে তা হতে দেব না।"
ব্যারিস্টার হেলাল উদ্দিন হাটহাজারীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা আসামী গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যথার্থ নয় বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উদালিয়া এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের পলাতক সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য বানিয়েছে। তিনি দাবি জানান, দ্রুত সময়ে ওইসব এলাকায় প্রশাসনের চিরুনি অভিযান চালানো উচিত, নয়তো নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে এবং একটি গোষ্ঠী তা বানচাল করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করবে। তিনি যোগ করেন, রাজনীতি জনগণের জন্য এবং দেশের উন্নয়নের জন্য, জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টির জন্য নয়। তাই জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন জায়গায় সভা-সমাবেশ-মিছিল না করে মাঠ-ময়দানে করার ব্যবস্থার কথা তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসী, অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যাহত হলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা অনিশ্চিত হবে। হাটহাজারীতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, কিশোর গ্যাং দমনে রাজনৈতিক ঊর্ধ্বে এসে সামাজিক দায়বদ্ধতা রেখে এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে। সকলের ঐক্যবদ্ধতায় জিরো টলারেন্স লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, কিছুকাল যাবৎ হাটহাজারীতে সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেক প্রবাসীর পরিবার অনিরাপত্তায় ভুগছে, যা সবার জন্য উদ্বেগের বিষয়। প্রবাসীদের পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
থানা পুলিশ, উপজেলা, পৌরসভাসহ সবধরনের সরকারি অফিস আদালতে কাউকে অন্যায়ভাবে প্রভাবিত করা উচিত নয়। যদি কেউ করে, সংবাদ মাধ্যমে তা প্রকাশ হওয়া উচিত। রাজনৈতিক কেউ এমন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, নিজ দলের কারও বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। সবশেষে তিনি বলেন, হাটহাজারীর উন্নয়নের স্বার্থে টেবিলের এপার-ওপার না বসে এক সাথে বসার আহবান জানান সকলের প্রতি। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ, সদস্য সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌরসভার সদস্য সচিব অহিদুল আলম, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম জনিসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ নভেম্বর ২০২৫
গত বৃহস্পতিবার রাতে হাটহাজারী উপজেলার স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, রাউজানের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা হাটহাজারীতে প্রকাশ্যে মিছিল করছে। শান্তির জনপদ হিসেবে পরিচিত এই এলাকায় চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা যদি সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে, তাহলে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আমরা চাই না হাটহাজারী রাউজানের মতো হোক। আমি বেঁচে থাকতে হাটহাজারীকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য বানাতে জীবিত থাকতে তা হতে দেব না।"
ব্যারিস্টার হেলাল উদ্দিন হাটহাজারীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা আসামী গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যথার্থ নয় বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উদালিয়া এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের পলাতক সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য বানিয়েছে। তিনি দাবি জানান, দ্রুত সময়ে ওইসব এলাকায় প্রশাসনের চিরুনি অভিযান চালানো উচিত, নয়তো নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে এবং একটি গোষ্ঠী তা বানচাল করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করবে। তিনি যোগ করেন, রাজনীতি জনগণের জন্য এবং দেশের উন্নয়নের জন্য, জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টির জন্য নয়। তাই জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন জায়গায় সভা-সমাবেশ-মিছিল না করে মাঠ-ময়দানে করার ব্যবস্থার কথা তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, সন্ত্রাসী, অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যাহত হলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা অনিশ্চিত হবে। হাটহাজারীতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, কিশোর গ্যাং দমনে রাজনৈতিক ঊর্ধ্বে এসে সামাজিক দায়বদ্ধতা রেখে এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে। সকলের ঐক্যবদ্ধতায় জিরো টলারেন্স লক্ষ্য নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, কিছুকাল যাবৎ হাটহাজারীতে সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং অনেক প্রবাসীর পরিবার অনিরাপত্তায় ভুগছে, যা সবার জন্য উদ্বেগের বিষয়। প্রবাসীদের পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
থানা পুলিশ, উপজেলা, পৌরসভাসহ সবধরনের সরকারি অফিস আদালতে কাউকে অন্যায়ভাবে প্রভাবিত করা উচিত নয়। যদি কেউ করে, সংবাদ মাধ্যমে তা প্রকাশ হওয়া উচিত। রাজনৈতিক কেউ এমন কাজ করলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত উল্লেখ করে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, নিজ দলের কারও বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। সবশেষে তিনি বলেন, হাটহাজারীর উন্নয়নের স্বার্থে টেবিলের এপার-ওপার না বসে এক সাথে বসার আহবান জানান সকলের প্রতি। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ, সদস্য সচিব মো. গিয়াস উদ্দিন, পৌরসভার সদস্য সচিব অহিদুল আলম, উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি তকিবুল হাসান চৌধুরী তকি এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল আলম জনিসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন